সকলেই আমায় নগ্ন করে ছেড়েছে, তাহলে কীসের লজ্জা: করণ জোহর - Bengali News | Karan johar got shattered when he faced backlashed inside bollywood - 24 Ghanta Bangla News
Home

সকলেই আমায় নগ্ন করে ছেড়েছে, তাহলে কীসের লজ্জা: করণ জোহর – Bengali News | Karan johar got shattered when he faced backlashed inside bollywood

Spread the love

করণ জোহর, ‘কেবল নেপোকিডদেরই বলিউডে লঞ্চ করছেন’, এমন ট্যাগ তাঁর নামের সঙ্গে জড়িয়ে গেলেও তিনি বহু ট্যালেন্ট বলিউডকে উপহার দিয়েছেন, তার সাক্ষী সিনেপাড়া। সে বিষয় কোনও সন্দেহ নেই। অথচ সেই করণ জোহরের গায়ে যখন মুভি মাফিয়ার ট্যাগ লাগল, তখন রাতারাতি ভেঙে পড়েছিলেন করণ জোহর। বুঝতে পারেননি কীভাবে পরিস্থিতি সামলাবেন। শেষ কয়েক বছরে তাঁকে নিয়ে এমনই খবর ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র। বিশেষ করে কঙ্গনা রানাওয়াতের কটাক্ষের পরই এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। তখন করণের অন্দরমহলের ছবিটা ঠিক কেমন ছিল? কীভাবে সামলে ছিলেন পরিস্থিতি? সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন করণ জোহর।

করণ জোহরকে একবার এই প্রসঙ্গে বলতে শোনা যায়, “শেষ তিন বছরে, আমায় নিয়ে বহু ঘৃণা ছড়িয়েছে, যা আমার মায়ের ওপরও মানসিক চাপ সৃষ্টি করেছে। আমি নিজে দেখেছি মায়ের তখন কী অবস্থা হয়েছিল। টিভি চ্যানেলগুলো দেখে তখন তাঁর কী পরিস্থিতি হতো আমি দেখেছিলাম। অনলাইনে সমস্ত কিছু পড়তেন আমার মা। যেন এক শান্ত জোনে চলে গিয়েছিলেন। তিনি দেখতেন, টিভিতে সঞ্চালকেরা আমার নামে চিৎকার করে নিন্দে করছেন। আমার বিষয় নোংরা কথা বলছে। কোনও এক কারণে আমায় নিয়ে কুৎসা রটাচ্ছে। কিছু মানুষ ছিলেন যাঁরা সেই একই কথা সোশ্যাল মিডিয়াতেও লেখা শুরু করলেন।”

এখানেই শেষ নয়, আক্ষেপ প্রকাশ করে করণ আরও বলে চলেন, ”সেই সময়টা আমি নিজেকে শক্ত রেখেছিলাম। আমায় পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতেই হতো, নিজের জন্য, আমার মায়ের জন্য। নিজেকে নগ্ন মনে হতো এই পরিস্থিতির পর। এখন তো সকলেই আমায় নগ্ন করে ছেড়েছে। এখন আর কীসের লুকোনো? কীসের লজ্জা। প্রত্যেকে আমায় নিয়ে চর্চা করে। কিন্তু তাঁরা জানে না আমি ব্যক্তিমানুষ হিসেরে কেমন? তাঁরা জানেই না, একজন প্রযোজকের লড়াই কতটা?” বর্তমানে সেই পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক। একটা সময় করণের ছবি ঘিরে উঠেছিল বয়কটের ডাক। তবে এখন বলিউডের অন্দরমহলের সমীকরণ বেশ স্বাভাবিক। করণ জোহরেরএকাধিক প্রজেক্ট এখন চর্চায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *