Jalpaguri: বৈঠকে এখনও মিলল না সমাধান সূত্র, শুকনো মুখে বাড়ি ফিরলেন পরেশ – Bengali News | Chaos in Haldibari municipality coochbehar
হলদিবাড়িতে ঝামেলা চলছেইImage Credit: Tv9 Bangla
জলপাইগুড়ি: দলের নির্দেশ মানতে নারাজ চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান সহ বেশিরভাগ কাউন্সিলর। তাই ভেস্তে গেল হলদিবাড়ি পৌরসভার মধ্যস্থতা বৈঠক। সভা শেষে কার্যত শুকনো মুখে বাড়ি ফিরে গেলেন মেখলিগঞ্জের বিধায়ক পরেশ অধিকারী।
কী নিয়ে ঝামেলা?
তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই নির্দেশ দিয়েছিলেন দলে নন-পারফর্মারদের কোনও জায়গা নেই। এরপর লোকসভা ভোটে যে যে পুরসভা খারাপ ফল করেছে সেখানকার চেয়ারম্যানদের সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ আসে। তেমনই হয় হলদিবাড়ি পুরসভার ক্ষেত্রেও। দল থেকে নির্দেশ আসে সাতদিনের মধ্যে হলদিবাড়ি পুরসভার চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানকে পদত্যাগ করতে হবে। সেই নির্দেশ মেনে এরপর তৃণমূলের কোচবিহার জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক বিষয়টি সকলকে জানান।
এরপরেই শাসকদলের অন্দরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। দলের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বৈঠকে বসে হলদিবাড়ি পুরসভার সংখ্যাগরিষ্ঠ কাউন্সিলরা। বৈঠকের তাঁরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন পুরোনো বোর্ডর রদবদল তাঁদের না জানিয়েই করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে এই বিষয় নিয়ে হলদিবাড়ি পুরসভার বেশিরভাগ কাউন্সিলরদের নিয়ে বৈঠকে বসেন মেখলিগঞ্জের বিধায়ক পরেশ চন্দ্র অধিকারী। বৈঠকেও মেলেনি কোনও সমাধান সূত্র।
সূত্রের খবর মেখলিগঞ্জের বিধায়ক পরেশ চন্দ্র অধিকারীর মধ্যস্থতায় বৃহস্পতিবার তৃণমূলের কোচবিহার জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক বৈঠকে বসবেন। বৈঠকটি মেখলিগঞ্জ পুরসভার সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হবে। ওই বৈঠকেও সমাধানসূত্র না মিললে পুরসভার অধিকাংশ কাউন্সিলররা ইস্তফা দিতে পারেন।
ভাইস চেয়ারম্যান তথা দলের হলদিবাড়ি শহর সভাপতি অমিতাভ বিশ্বাস জানান, “আগামিকাল আমাদের সঙ্গে জেলা সভাপতি বৈঠকে আছে। আমাদের দাবি হল বিধানসভা নির্বাচনের আর মাত্র চার মাস বাকি রয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনের আগে রদবদল করলে প্রভাব পড়বে। বর্তমানে হলদিবাড়ি পৌর বোর্ড যেই অবস্থায় রয়েছে সেই অবস্থায় থাকুক। বিধানসভা নির্বাচনের পরে দল বা জেলা সম্পূর্ণ রদবদল করতে পারে। দল যেহেতু পদ থেকে পদত্যাগ করতে বলেছে তার আগে আমরা জেলা সভাপতির সঙ্গে বসতে চাই।”
কাউন্সিলর ঝন্টু বিশ্বাস জানান, “চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানের কাছে দলীয় নির্দেশ এসেছে। বলা হয়েছে সাতদিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে হবে। নতুন চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান হবে। সেব্যাপারে আমার বক্তব্য, দল যেহেতু করি দলীয় নির্দেশ মানতে হবে। কিন্তু আমাদের এগারো জন কাউন্সিলরদের সঙ্গে কথা বলে চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান করা হতো তাহলে ভাল হত। যেহেতু এটা জেলা থেকে বা রাজ্য থেকে চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে আমি মনে করি এটা ঠিক নয়।” মেখলিগঞ্জের বিধায়ক পরেশ চন্দ্র অধিকারী বলেন, “আজ আমি হলদিবাড়ি পৌরসভার চেয়ারম্যান এবং ভাইস চেয়ারম্যান এবং কাউন্সিলর দের সঙ্গে বৈঠক করি। ওরা বলেন এক্ষুনি আমরা কিছু বলতে পারছি না।”