এবার Gig বা ফ্রিল্যান্সিংয়েও মিলবে পেনশন, নতুন স্কিম নিয়ে এল NPS! - Bengali News | National Payment Interface: Now pension will be available for Gig or freelancing, NPS has come up with a new scheme! - 24 Ghanta Bangla News
Home

এবার Gig বা ফ্রিল্যান্সিংয়েও মিলবে পেনশন, নতুন স্কিম নিয়ে এল NPS! – Bengali News | National Payment Interface: Now pension will be available for Gig or freelancing, NPS has come up with a new scheme!

Spread the love

গোটা দেশজুড়ে দ্রুত বদলাচ্ছে কর্মসংস্কৃতি। যে যুব সমাজ এক সময় স্থায়ী ৯টা-৫টার চাকরি খুঁজতেন, তাঁরাই এখন ঝুঁকছেন ফ্রি ল্যান্সিং বা গিগ ওয়ার্কের দিকে। সময় এবং কাজের উপর নিজের নিয়ন্ত্রণ রাখতে চাইছে নতুন প্রজন্ম। এই সবের মধ্যে একটা প্রশ্ন কিন্তু ছিলই। মানুষের নিজের ইচ্ছায় কাজের এই সুবিধা বা স্বাধীনতা কি সেই মানুষদেরই আগামীর আর্থিক সুরক্ষা বিপন্ন করবে? অবশেষে বলা যায় সেই প্রশ্নের একটা উত্তর পাওয়া গিয়েছে।

দেশের পেনশন ফান্ড রেগুলেটরি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অথরিটি বা PFRDA সেই প্রশ্নেরই যেন উত্তর দিয়েছে। এই ধরনের গিগ কর্মীদের জন্য চালু হয়েছে NPS বা ন্যাশনাল পেনশন সিস্টেমের ই-শ্রমিক প্ল্যাটফর্ম।

কেন এই মডেল জরুরি?

এতদিন ন্যাশনাল পেনশন সিস্টেম বা বা প্রভিডেন্ট ফান্ডের মতো সুবিধা কেবল সরকারি বা বেসরকারি চাকরিজীবীরাই পেতেন। Zomato, Swiggy, Ola, Uber-এর মতো প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে যুক্ত লক্ষ লক্ষ কর্মীর জন্য দীর্ঘমেয়াদী আর্থিক সুরক্ষার অভাব ছিল। আর এবার PFRDA বা পেনশন ফান্ড রেগুলেটরি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অথরিটির এই স্কিম সেই শূন্যস্থান পূরণ করেছে। এখন গিগ কর্মীরাও নিয়মিত বেতনপ্রাপ্ত কর্মীর মতোই অবসরের জন্য তহবিল তৈরি করতে পারবেন।

নতুন এই স্কিমের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল— বার্ষিক রেকর্ড রক্ষণাবেক্ষণের খরচ ১০০ টাকা থেকে কমে হয়েছে মাত্র ১৫ টাকা। সঙ্গে লাগছে না রেজিস্ট্রেশন ফিও।

কীভাবে নাম লেখাবেন?

এই ই-শ্রমিক স্কিমে নথিভুক্ত করার প্রক্রিয়াটি বেস সহজ সরল। প্রথমে, একটি পার্মানেন্ট রিটায়ারমেন্ট অ্যাকাউন্ট নম্বর বা PRAN তৈরি করে আধার-ভিত্তিক eKYC-এর মাধ্যমে আপনার নাম, প্যান নম্বর ও ব্যাঙ্কের তথ্যের মতো প্রাথমিক বিষয়গুলো যাচাই করা হবে। যদি প্ল্যাটফর্মগুলোর কাছে তথ্য থাকে, আপনার সম্মতিতে তা সরাসরি ব্যবহৃত হবে। এরপরই আপনার স্থায়ী PRAN তৈরি হবে।

প্রোফাইল সম্পূর্ণ আপডেট করতে এরপর বাবা-মায়ের নাম ও নমিনির তথ্য যোগ করতে হবে। মনে রাখবেন, স্কিমে যোগ দেওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে নমিনির সম্পর্কিত তথ্য এখানে নথিভুক্ত করতে হয়।

সংস্থা ও কর্মী উভয়েই, অথবা শুধু কর্মী বা শুধু প্ল্যাটফর্ম— যে কোনও উপায়েই এখানে টাকা জমা করা যেতে পারে। ন্যূনতম ৯৯ টাকা এখানে জমা দেওয়া যায়। যদিও NPS-এর নিয়ম অনুযায়ী বছরে মোট ৫০০ টাকা এখানে জমা দেওয়া আবশ্যক। গোটা দেশের গিগ কর্মীদের জন্য এটি একটা বিরাট খবর, বলাই যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *