Ahmedabad Air India Plane Crash: ভুগছেন অর্থকষ্টে! বেঁচে গিয়েও ‘প্রাণহীন’ এয়ার ইন্ডিয়া দুর্ঘটনার একমাত্র জীবিত রমেশ – Bengali News | Lone Air India Crash Survivor Lost, Broken, Not Talking to Family
একমাত্র জীবিত বিশ্বাসকুমার রমেশImage Credit: X
নয়াদিল্লি: গোটা বিশ্ববাসীর কাছে তিনি হয়তো ‘দ্য় লাকিয়েস্ট’। কিন্তু আমেদাবাদে হওয়া সেই বিমান দুর্ঘটনায় যেন নিজেকেই হারিয়ে ফেলেছেন ‘ভাগ্যবান’ বিশ্বাসকুমার রমেশ। তিনি যে এখনও বেঁচে রয়েছেন, সেটাই বিশ্বাস করতে পারছেন না। প্রতি মুহুর্তে তাঁকে তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে সেকেন্ডের মধ্যে ধূলিসাৎ হয়ে যাওয়া বিমানটি। ঠেলে দিচ্ছে স্মৃতির অতল গভীরে।
গত ১২ই জুন আমেদবাদ থেকে লন্ডনের গ্যাটউইকে উড়ান দেওয়া এয়ার ইন্ডিয়া বিমানে নিজের ভাই অজয়ের সঙ্গেই উঠেছিলেন রমেশ। তিনি ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক। তাই দেশে আসা যাওয়া লেগেই থাকত। দুর্ঘটনার কবলে পড়া ওই বিমানের ১১এ আসনে বসেছিলেন রমেশ। তাঁর পিছনের দিকে আসনে বসেছিলেন ভাই অজয়। এরপর কয়েকটা মিনিট। সব শেষ। একটা আস্ত বিমানকে আগুনে পুড়ে খাক হতে দেখেছিল গোটা বিশ্ববাসী। এরপর কেটে গিয়েছে চার মাস। নিজের হাতে ভাইয়ের শেষকৃত্য করেছেন রমেশ। নিজেও থেকে গিয়েছেন জীবনের ভয়াবহ অধ্যায়ে।
এদিন রমেশ বলেন, ‘আমি যে বেঁচে রয়েছি, তা এখনও বিশ্বাস হচ্ছে না। কিন্তু নিজের ভাইকে হারালাম। ও আমার মেরুদণ্ড। আমার প্রতি মুহুর্তের সঙ্গী। ওকে ছাড়া খুব একা লাগে। এখন আমি নিজের ঘরে বসে থাকি। না নিজের স্ত্রীয়ের সঙ্গে কথা বলি। না নিজের ছেলের সঙ্গে কথা বলি। সব সময় একা থাকতেই ভাল লাগে আমার।’
দীর্ঘদিন ঘরবন্দি থাকার ফলে মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছেন রমেশ। কিন্তু কোনও চিকিৎসা করাননি তিনি। তার সঙ্গেই তৈরি হয়েছে আর্থিক সঙ্কট। বিধ্বস্ত গোটা পরিবার। রমেশ আরও বলেন, ‘এই দুর্ঘটনাটা আমি মেনে নিতে পারছি না। শারীরিক ও মানসিক ভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়েছি। গত চার মাস ধরে আমার মা প্রতিদিন বাড়ির সদর দরজার সামনে বসে থাকেন। না কথা বলেন, না কিছু করেন। শুধু তাকিয়ে থাকেন। প্রতিটা দিন আমার পরিবারের জন্য অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক।’