Kolkata Police: গুরুত্ব বাড়ল আলিপুর-পার্ক স্ট্রিটের, শহরে নতুন সীমানা তৈরি কলকাতা পুলিশের – Bengali News | Kolkata Police Redraws Jurisdiction of Five Police Stations
কলকাতা পুলিশের সদর দফতরImage Credit: নিজস্ব চিত্র
কলকাতা: শহরজুড়ে নতুন করে সীমানা আঁকল কলকাতা পুলিশ। কারওর গুরুত্ব বাড়ল, কারওর আবার কমল। গতকাল অর্থাৎ শুক্রবার শহরের থানার সীমানায় বদল এনেছে লালবাজার। নতুন করে দাগ কেটেছে তাঁরা। তবে সব থানার জন্য নয়। শুধুমাত্র পাঁচটি থানাতেই ঘটল ‘সীমানা-বদল’।
বর্তমানে শহরজুড়ে মোট ৯১টি থানা রয়েছে। যার মধ্যে পাঁচটি থানার সীমানায় পুনর্বিন্যাস ঘটিয়েছেন নগরপাল মনোজ ভর্মা। যা কার্যকর হয়েছে শনিবার থেকে। কলকাতা পুলিশ সূত্রে খবর, এই পাঁচটি থানা হল আলিপুর, পার্ক স্ট্রিট, ওয়াটগঞ্জ, নিউ মার্কেট ও একবালপুর। নয়া নির্দেশিকায় গুরুত্ব বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে আলিপুর ও পার্ক স্ট্রিট থানার। বাড়ানো হয়েছে তাদের সীমানাও। অন্য দিকে, বাকি তিনটি থানার গুরুত্ব যেন আগের তুলনায় কমেছে লালবাজারের কাছে। তাই কমিয়ে দেওয়া হয়েছে নিউ মার্কেট, ওয়াটগঞ্জ এবং একবালপুর থানার গন্ডি।
শনিবার কলকাতার সংশ্লিষ্ট পাঁচটি থানার সীমানা পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত নয়া নির্দেশিকা কার্যকর হওয়ার পর ওয়াটগঞ্জ এবং একবালপুর থানার অন্তর্গত কয়েকটি এলাকা চলে গেল আলিপুর থানার অধীন। অন্যদিকে, নিউ মার্কেটের বেশ কিছুটা অংশ ঠেলে দেওয়া হল পার্ক স্ট্রিট থানার অধীনে। কিন্তু নতুন মাসে এই সীমানা পুনর্বিন্যাস করার কারণটাই বা কী? প্রশ্ন তৈরি হয়েছে নানা মহলে। ওয়াটগঞ্জ এবং একবালপুর যথেষ্ট সংবেদনশীল এলাকা। সেই থানার অন্তর্গত অংশকে কেন আলিপুরের দিকে ঠেলে দেওয়া হল? সেই উত্তরও এখনও অধরা।
বলে রাখা প্রয়োজন, একটি থানার সীমানা বিন্যাসের উপরেই নির্ভর করে থাকে, তার ক্ষমতা। অর্থাৎ যে থানার অধীনে যতটা বেশি এলাকা রয়েছে, সেই থানার দায়িত্বও ততটা বেশি। একদিকে যেমন ইতিবাচক, তেমনই রয়েছে নেতিবাচক দিক। থানার কর্মক্ষমতা ও এলাকার পরিমাণের মধ্যে ভারসাম্য না থাকলে তৈরি হতে পারে সমস্যা। হাতে বাইরে চলে যেতে পারে আইন-শৃঙ্খলা।