খেতে না পেয়ে দুদিন ধরে রাস্তায় ঘুরছিলেন শাহরুখ! একমুঠো খাবার চাইতে কার দরজায় কড়া নেড়েছিলেন জানেন? – Bengali News | Shah rukh khan said my mom is dying hadnt eaten in 2 days
তিনি এখন বলিউড বাদশা। কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি। দুবাইয়ে তাঁর নামে রয়েছে মস্ত বড় আইল্য়ান্ড। লন্ডনে বিলাসবহুল বাড়ি। কিন্তু প্রথম থেকেই এই প্রতিপত্তি ছিল না শাহরুখ খানের কাছে। আজ যে বাদশা, সে এক সময় ভুগেছিলেন মারাত্মক অর্থকষ্টে। একদিনে অসুস্থ বোন শেহনাজ, অন্যদিকে অসুস্থ মা। বাবাকে হারিয়েছিলেন অনেক আগেই। পড়াশুনো শেষ করে স্ট্রাগল করে চলেছেন বলিউডে সুযোগ পাওয়ার জন্য। সংসার সামলাতে টুকটাক করছেন টেলিভিশনের কাজ। সিনেমায় তখনই সুযোগ পাননি তিনি। ঠিক সেই সময়ই এমন এক দিন এসেছিল শাহরুখের যা অন্ধকারের থেকেও কালো ঘন। আর শাহরুখের সেই দিনের কথাই সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বললেন বলিউড অভিনেতা ও চিত্রনাট্যকর বিবেক ভাসওয়ানি।
কী বললেন বিবেক?
আগামিকাল ষাটে পা দিতে চলেছেন শাহরুখ খান। ইতিমধ্যেই তাঁর জন্মদিন নিয়ে উন্মাদনা তুঙ্গে অনুরাগীদের মধ্যে। শোনা যাচ্ছে, এবার মন্নতে নয়, বরং আলিবাগের বাংলোয় জন্মদিন পালন করবেন শাহরুখ। ঠিক এরই মাঝে বিবেক ভাসবানির এক সাক্ষাৎকারে ভাইরাল হয়েছে। যেখানে শাহরুখের স্ট্রাগল পিরিয়াডের কথায় তুলে ধরেছেন বিবেক।
সময়টা নয়ের দশক। তখন টিভিতে টুকটাক কাজ করছেন শাহরুখ খান। সিনেমায় বড় সুযোগ তখনও জোটেনি। ঠিক সেই সময়ই শাহরুখের মা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। একদিন হঠাৎ বিবেকের ঘরের দরজায় কড়া নাড়েন শাহরুখ। টিভিতে অভিনয়ের সূত্রে বিবেকের সঙ্গে পরিচয় ছিল তাঁর। সেই বন্ধুত্বের খাতিরেই সেদিন বিবেকের কাছে ভেঙে পড়েছিলেন এসআরকে। বিবেককে স্পষ্ট বলেছিলেন, মা আর বাঁচবে না। দিদিকে নিয়ে ভেসে যাব। দুদিন ধরে খেতে পাইনি। আমাকে দুমুঠো খাবার জোগার করতেই হবে। আমাকে একটা সিনেমায় সুযোগ দাও। খুব অর্থের প্রয়োজন।

বিবেক বলেন, ”ঠিক সেই সময় আজিজ মির্জা রাজু বন গয়া জেন্টালম্যান ছবির চিত্রনাট্য লিখছিলেন। শাহরুখের সঙ্গে মিটিংয়ে বসা হল। আর এই ভাবেই শাহরুখের বলিউডে যাত্রা শুরু। যদিও দিব্য়া ভারতী ও ঋষি কাপুরের সঙ্গে দিওয়ানা ছবিই সবার আগে মুক্তি পায় ও পরিচিতি দেয় শাহরুখকে।”
বিবেকের কথায়, শাহরুখের মধ্যে অদ্ভুত এক জেদ ছিল। খিদে ছিল সফল হওয়ার। সফল হওয়ার জন্য যে কোনও পরিশ্রম করতে রাজি ছিলেন শাহরুখ। আর তাই তো আজ তিনি বলিউড বাদশা। শাহরুখ যে সাফল্য পাননি বরং বলা ভাল অর্জন করেছেন।