Calcutta High Court: রোজ ভ্যালি টাকা ফেরাতে গঠিত কমিটিতে 'আর্থিক বেনিয়ম', তদন্তে হাত গোটাল সেবি - Bengali News | Calcutta high court 'Financial irregularities' in committee formed to return Rose Valley money, SEBI withdraws investigation - 24 Ghanta Bangla News
Home

Calcutta High Court: রোজ ভ্যালি টাকা ফেরাতে গঠিত কমিটিতে ‘আর্থিক বেনিয়ম’, তদন্তে হাত গোটাল সেবি – Bengali News | Calcutta high court ‘Financial irregularities’ in committee formed to return Rose Valley money, SEBI withdraws investigation

Spread the love

কলকাতা হাইকোর্ট (ফাইল ছবি)Image Credit: TV9 Bangla

কলকাতা:  রোজ ভ্যালি চিটফান্ডের আমানতকারীদের টাকা ফেরাতে হাইকোর্ট গঠিত বিচারপতি দিলীপ শেঠ কমিটির বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে ফরেনসিক অডিট করার দায়িত্ব থেকে হাত গুটিয়ে নিল সেবি। ফলে বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ ও বিচারপতি উদয় কুমারের ডিভিশন এবার এই দায়িত্ব দিতে চায় ক্যাগকে। ক্যাগ এই কাজ করতে পারবে কি না, তাই নিয়ে আগামী সপ্তাহে জানাতে হবে কেন্দ্রকে।

বিচারপতি ভরদ্বাজের পর্যবেক্ষণ, সেবি যদি ফরেনসিক অডিট করতে অনিচ্ছুক থাকে, সেখানে কোর্ট চুপ করে বসে থাকতে পারে না। তাঁর কথায়, “আমরা সেবিকে প্রয়োজনে সিবিআইয়ের সাহায্য নিতে বলেছিল। কিন্তু তারা এড়িয়ে গেছেন। তাই এই ব্যাপারে তদন্ত করাতেই হবে।”

এডিসি কমিটির আইনজীবীর বক্তব্য, “সব ঠিক আছে। তদন্ত হোক, কিন্তু সেটাকে ফরেনসিক অডিট বলে যেন উল্লেখ করা না হয়। একজন বিচারপতির নেতৃত্বে কমিটি চলছে। ফরেনসিক অডিট বলা হলে তার অন্য রকম বার্তা যাবে।” আদালত জানিয়ে দেয়, যাবতীয় নথি দেখে, হিসেব নিকেশ দেখেই কোর্ট ফরেনসিক অডিট করানোর নির্দেশ দিয়েছিল সেবি-কে। এখন তারা দক্ষ লোকের অভাবের কথা বলে অনিচ্ছা প্রকাশ করেছে।

রোজভ্যালির টাকা ফেরানোর ক্ষেত্রে ওয়েববেলের প্রযুক্তি ব্যবহারে এদিনও ইডির তরফে আপত্তি জানানো হয়। তাদের সমর্থন করে বিচারপতি শেঠ কমিটি। ইডি র তরফে দাবি করা হয়, ওয়েবল অযোগ্য। তাই লিখিত আবেদন করা হয়, অন্য কোম্পানিকে সেই কাজে লাগানোর অনুমতি পেতে। সেই আবেদনে আপত্তি জানায় রোজভ্যালি কোম্পানির আইনজীবী।

বিচারপতি তখন বলেন, ” ওয়েবেল খুব ভালো কাজ করেছে। তার নথি আছে। আর আপনাদের কমিটির অভিযোগ, ওয়েবেল ভালো কাজ করছে না, তাই তারা বাইরের কোম্পানিকে দিয়ে কাজ করাতে চায়। ওই সংস্থাকে এই কাজ করার টাকা কে দেবে? কমিটি কি করে দেবে? তাদের টাকা নেই।” কথা প্রসঙ্গেই বিচারপতি বলেন, “আর আমানতকারীদের ভাড়ার থেকে কেনো ওই কাজের জন্য টাকা খরচ হবে? কেন্দ্রকে টাকা দিতে বলুন তাহলে। কোনো ভাবেই তাদের জন্য ১০ কোটি টাকাও যদি খরচ হয়, সেটাও আমানতকারীদের অ্যাকাউন্ট থেকে দেওয়া যাবে না।”

বিচারপতির প্রশ্ন, “এত কথা ইডি বলছে, মাত্র ৫০০ কোটি টাকা তারা উদ্ধার করেছে। অথচ ১৭৫০০ কোটি টাকা বকেয়া। সেই ১৭ হাজার কোটি কোথায়? এত দিন কি হয়েছে? এডিসি কমিটি বা কি করেছে? আগে ফরেনসিক অডিট হবে, তারপরে সব বক্তব্য শুনব।” ৭ নভেম্বর পরবর্তী শুনানি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *