Siliguri: ভেসে গিয়েছে নথি, আতঙ্কের প্রহর গুনছেন শিলিগুড়ির পোড়াঝাড়ের বাসিন্দারা – Bengali News | Siliguri Documents washed away, residents of Porajhar in Siliguri in panic
ডান দিকে প্রদীপ বর্মনImage Credit: TV9 Bangla
শিলিগুড়ি: নদী ভাঙনে তলিয়ে গিয়েছে সমস্ত নথি। তাই SIR আবহে এখন আতঙ্কে ভুগছেন মালদহের মোথাবাড়ির বাসিন্দারা। এদিকে উত্তরবঙ্গও বিপর্যস্ত। শিলিগুড়ির পোড়াঝাড়ে দুশ্চিন্তার কালো মেঘ বন্যা দুর্গতদের। প্রদীপ বর্মনের নথি গিয়েছে তলিয়ে। ২০০৪ নাগাদ বাংলাদেশ থেকে এসেছিলেন পোড়াখাড়ের বাসিন্দা প্রদীপ বর্মন। ওড়িশায় নাম তুলেছিলেন ২০১৪ সালে। এরপর থিতু হন শিলিগুড়িতে মহানন্দার চরে পোড়াঝাড় কলোনিতে।
যেটুকু যা নথি ছিল সেসবও ভেসে গিয়েছে। এখন SIR শুরু হতেই দুশ্চিন্তার কালো মেঘ প্রদীপের পরিবারে। শুধু এই প্রদীপ বর্মন নন, পোড়াঝাড়ে আস্ত কলোনিই গড়ে উঠেছে গত পাঁচ বছরে। ফলে এলাকার কয়েক হাজার মানুষের নামই নেই ২০০২ সালের ভোটার তালিকায়।
এদের একটা অংশ স্বীকার করছেন, তাঁরা গত দু’দশকে বাংলাদেশ থেকে এসেছেন। ভোটার তালিকায় নাম তুলেছেন। কেউ আবার বলছেন ভিনরাজ্য বা অন্য জেলায় আগে থাকতেন। এখন এখানে থাকেন। এদের নথিও দিন কয়েক আগে বন্যায় নষ্ট হয়েছে। ক্যাম্পে নাম লিখালেও এখনও সেসব নথি মেলেনি। দুয়ারে যখন এসআইআর শুরু হচ্ছে তখন রাতের ঘুম উড়েছে এই মানুষজনের।
প্রদীপ বর্মন বলেন, “২০০৪ সালের আশপাশে বাংলাদেশ থেকে এসেছিলাম। আমাদের সব কাগজই জলে ভেসে গিয়েছে। যেটুকু ছিল, নদীতে ভেসে গিয়েছে। এখন কী যে করব, মহাআতঙ্কে রয়েছি।”
প্রদীপ বর্মনের মেয়ে প্রীতিলতা বর্মন বলছেন, “কাগজপত্র ভেসে গিয়েছে, সেটা তো আর আমাদের হাতে নেই। আর তাতে তো চিন্তা আমার হবেই। এখন কোনও কিছু করতে গেলেই তো কাগজ লাগবে। আমার কিছু কাগজ আছে, আর ভেসে গিয়েছে। সরকারি ক্যাম্পে নাম লিখিয়েছি।” এখনও নথি হাতে নেই তাঁদের হাতে। ২০০২ সালের ভোটার লিস্টে নামও নেই। তাই স্বাভাবিকভাবেই SIR আবহে দুশ্চিন্তার পারদ চড়েছে পোড়াঝাড়ে।