Air Quality Shift in Delhi: দিল্লিতে বেড়েছে 'বিষ-বায়ু', দীপাবলি ডেকে আনল নতুন শঙ্কা? - Bengali News | Delhi Air Quality Shift, Here is the Real Story - 24 Ghanta Bangla News
Home

Air Quality Shift in Delhi: দিল্লিতে বেড়েছে ‘বিষ-বায়ু’, দীপাবলি ডেকে আনল নতুন শঙ্কা? – Bengali News | Delhi Air Quality Shift, Here is the Real Story

Spread the love

নয়াদিল্লি: ঘরে ঘরে শ্বাসকষ্ট, রাস্তায় বেরলেও জ্বলছে চোখ। দেশের রাজধানী যেন হয়ে উঠেছে ‘গ্য়াস চেম্বার’। মাত্রাতিরিক্ত দূষণ ঘিরে ধরেছে জনজীবন। বাতাসের গুণমান কপালে তৈরি করছে চিন্তার ভাঁজ। তার মধ্যে আবার দীপাবলির সময় বাজি পোড়ানোর ধুম। সব মিলিয়ে চরমে পৌঁছেছে দিল্লির দূষণ। একাধিক জায়গায় তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। যমুনায় বেড়েছে বিষাক্ত ফেনা।

দীপাবলি আনল দূষণ?

সাধারণ ভাবে বাতাসের গুণমান বর্ণনা করে একিউআই। প্রাক-দীপাবলি পর্বে রাজধানীর বাতাসে এই একিউআই ঘোরা-ফেরা করেছে আড়াইশো থেকে সাড়ে তিনশোর মধ্য়ে। এই প্রসঙ্গে বলে রাখা প্রয়োজন, কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রক বোর্ডের মাপকাঠি অনুযায়ী, বাতাসে AQI যদি ০ থেকে ৫০-এর মধ্য়ে থাকে, তা ভাল। যদি ৫১ থেকে ১০০-এর গন্ডিতে ঢুকে যায়, পরিস্থিতি তখন আশঙ্কাজনক। ১০০ থেকে ২০০-এর মধ্য়ে থাকলে দূষণের মাত্রা মাঝারি। ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকলে পরিস্থিতি খারাপ বলেই বিবেচিত হবে। ৩০১ থেকে ৪০০ হলে খুব খারাপ পরিস্থিতি।

এই সূচক অনুযায়ী, দীপবলি শুরুর আগেই দিল্লির বেশির ভাগ অঞ্চলে পরিস্থিতি চিন্তাজনক ছিল। যা দীপাবলির রাতে আরও উদ্বেগজনক হয়ে ওঠে। বাজি পোড়ানোর জেরে রাজধানীর বাতাসের মান পৌঁছে যায় ৪৩৩ একিউআই। এই সময়কালে গুরুগ্রাম বাতাসে দূষণের মাত্রা ছিল ৪৩৩ একিউআই, অশোক বিহারে ৪২৭ একিউআই, ওয়াজিরপুরে ৪২৩ একিউআই, আনন্দ বিহারে ৪১০ একিউআই ছিল বাতাসের গুণমান।

উল্লেখ্য, প্রাক-দীপাবলি ও পুজো পরবর্তী সময়ে আবহাওয়ায় বিশেষ কোনও বদল দেখা যায়নি বলেই মনে করছেন আবহবিদরা। দূষণ থেকেছে দিল্লিবাসীর সঙ্গী। প্রতিমুহুর্তে শরীরে প্রবেশ করেছে বিষ-বায়ু। ২১ থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত আনন্দ বিহারে একিউআই ছিল ৩৮৫, ওয়াজিরপুরে ৩৬৬, অশোক বিহারে ৩৬৪। এই গোটা উৎসবপর্বে সবচেয়ে বিষ ছড়িয়েছে গুরুগ্রামে। একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, সেখানে দূষণের মাত্রা বেড়ে গিয়েছে ৭৩ শতাংশ। বলে রাখা প্রয়োজন, গত এক বছরেও দিল্লির দূষণে যে বিশেষ বদল ঘটেছে এমনটা নয়। পূর্বতন সরকার থেকে বর্তমান সরকার, নানা ব্যবস্থা নিলেও তাতে খুব একটা লাভ হয়নি বলেই মনে করছেন একাংশ। কারণ, প্রয়োজন নাগরিক সচেনতা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *