Humayun Kabir: ‘জেলা সভাপতিই ইডিকে দিয়ে জীবনকৃষ্ণকে গ্রেফতার করিয়েছে’, ফের বিস্ফোরক হুমায়ুন – Bengali News | Party’s district president got Jibankrishna arrested through the ED, Humayun Kabir’s explosive claim again
মুর্শিদাবাদ: নবাবগড়ে জোড়াফুলে দ্বন্দ্বের কাঁটা। দলের অস্বস্তি বাড়িয়ে ফের বিস্ফোরক মন্তব্য হুমায়ুন কবীরের। দলের জেলা সভাপতি ইডিকে দিয়ে জীবনকৃষ্ণ সাহাকে গ্রেফতার করিয়েছেন, এ ভাষাতেই অপূর্ব সরকারকে নিশানা করতে দেখা গেল ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে। সঙ্গে বললেন, দলের দ্বন্দ্ব লাগানোর মূল কারিগর এই জেলা সভাপতিই। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে হুমায়ুন বলেন, “আমার কাছে তথ্য় আছে ঠিক সময়ে দেব। জীবনকৃষ্ণ সাহার বাবা বিশ্বনাথ সাহাকে প্রভাবিত করে এই জেলা সভাপতি কী করে জীবনকৃষ্ণ সাহাকে গ্রেফতার করিয়েছে তা ঠিক সময়ে তথ্য দিয়ে বলব। ডকুমেন্ট আমার কাছে আছে।”
এরপরই জীবনকৃষ্ণ আর অনুব্রত মণ্ডলকে এক ব্র্যাকেটে রেখে হুমায়ুন বলেন, “জীবনকৃষ্ণ একবার গ্রেফতার হয়েছিল তো কী হয়েছে! অনুব্রতও তো তিহাড় জেলে দু’বছর ছিল। স্বমহিমায় আবার নেত্রী তাঁকে তাঁর পুরনো পদ ফেরত দিয়েছে। জেলা সভাপতি নেই, কিন্তু তিনিই এখনও সর্বময় কর্তা বীরভূম জেলায়। তিনি ক’দিন আগে বলেছে কংগ্রেসে, সিপিএম, বিজেপি তৃণমূলের শত্রু নয়। তৃণমূলই তৃণমূলের শত্রু।” হুমায়ুনের এ কথা নিয়েই দলের অন্দরে তো বটেই রাজনৈতিক মহলে তৈরি হয়েছে তীব্র চাপানউতোর।
এর আগে এই হুমায়ুনকে বলতে শোনা গিয়েছিল নতুন দল তৈরির কথা। যদিও তারপর উপরতলার সঙ্গে হয়েছে বৈঠক। তারপর বেশ কিছুদিন চুপও ছিলেন। কিন্তু ফের ধীরে ধীরে স্বমহিমায় ফিরতে দেখা যায় তাঁকে। তবে তিনি যে দাবি করেছেন সেই নথি এখন কবে প্রকাশ্যে আনেন সেটাই দেখার। তবে এদিন শুধু অপূর্ব সরকারকেই নিশানা করে থেমে থাকেননি হুমায়ুন। একযোগে তোপ দেগেছেন দলেরই সাংসদ ইউসুফ পাঠানের বিরুদ্ধেও। তাঁর সাফ কথা, “ভরতপুর বা রেজিনগরে সাংসদ তহবিলের টাকা খরচ করেননি ইউসুফ।”