TMC: চলছে টাকা ভাগাভাগি, বান্ডিল-বান্ডিল নোট বিধায়ক ঢোকাচ্ছেন পকেটে, ভিডিয়ো ভাইরাল হতেই তৃণমূল নেতা বললেন… – Bengali News | TMC leader and MLA’s Video come from bardhaman
বর্ধমানের সিসিসিভি ফুটেজ ভাইরালImage Credit: Tv9 Bangla
সংশ্লিষ্ট ভিডিয়োয় দেখা যাচ্ছে, ব্যাগে করে টাকা ভরে এনেছেন পূর্ব বর্ধমানের গলসি ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সহকারী-সভাপতি অনুপ চট্টোপাধ্যায়। তিনিই টেবিলে নামিয়ে দিচ্ছেন গোছা-গোছা টাকার বাণ্ডিল। পরে সেই টাকা আবার গুনে গুনে ভাগ করছেন পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি কর্মাধ্যক্ষ পার্থ মণ্ডল। তিনি দিচ্ছেন বিধায়ক নেপাল ঘোরুইকে। তারপর সেই টাকা ভরছেন নিজেদের পকেটে।
বিধায়কের সঙ্গে সিগারেটে টান দিতে দিতে ডাইরিতে কিছু লিখছেন পঞ্চায়েত সমিতির সহকারী সভাপতি অনুপ চট্টোপাধ্যায়। এরপরই প্রশ্ন উঠছে ওই থোকা থোকা টাকা কীসের?এলই বা কোথা থেকে? কেন গুনে গুনে ভাগ করছেন পার্থ মণ্ডল?
ঘনিষ্ঠ মহলে শোনা যায়, বর্তমানে গলসি ১ পঞ্চায়েত সমিতির সর্বেসর্বা অনুপ চট্টোপাধ্যায়। ভোটাভুটি করে তাঁকে দ্বিতীয়বার সমিতির চেয়ারে বসিয়েছেন পার্থ মণ্ডলই। পার্থ আবার বিধায়ক নেপাল ঘরুই এর ছায়া সঙ্গী। সমিতির সবটাই কন্ট্রোল করেন অনুপ ও পার্থ বলে লোক মুখে ফেরে।
বস্তুত, বছর দু’য়েক আগে বিনা টেন্ডার, এমনকী কোন কাজ না করেই মিডডে মিলের রান্নাঘর সংস্কারের ১৩,৭১,৯০৫ টাকা পেয়ে গিয়েছিলেন অনুপ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ এক ঠিকেদার বলে অভিযোগ। দুর্নীতির অভিযোগের খবর হওয়ার পরই তড়িঘড়ি রান্নাঘর সারাইয়ের কাজ শুরু করেছিলেন তৎকালীন বিডিও দেবলীনা দাস।
তবে ভিডিয়ো প্রসঙ্গে জেলা তৃণমূল সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “এটা অনেক পুরনো ভিডিয়ো। বেশি টাকা নয়। দেড় লক্ষ টাকা ছিল। লোকসভা নির্বাচনের সময় বিভিন্ন কাজে ভেন্ডার ডাকা হয়েছিল। কে কত টাকা পাবে সেইটাই ভাগ হচ্ছিল।” বিধায়ক নেপাল ঘোড়ুই বলেন, “আমি কোনও টাকা নিচ্ছি না। এটা ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের। আমাদের যে বড়কাজে ভেন্ডার ডাকা হয়েছিল। কে কত টাকা পাবে সেইটাই ভাগ হচ্ছিল। আর এটা বিজেপি করছে তো? অভিযোগ করা ছাড়া ওদের আর কিছুই কাজ নেই।”