CPIM: ভাঙড়ে ত্রাণ সংগ্রহের সময় সিপিএম নেতাদের বেধড়ক মারধরের অভিযোগ, তরজায় সুজন-শওকত – Bengali News | CPIM leaders beaten during relief materials collection in Bhangar
কী বলছেন সুজন চক্রবর্তী?Image Credit: TV9 Bangla
ভাঙড়: বন্যা, ধসে বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে বিধ্বস্ত উত্তরবঙ্গের জন্য ত্রাণ সংগ্রহে নেমেছে রাজনৈতিক দলগুলি। আর সেই ত্রাণ সংগ্রহে নেমেই ভাঙড়ে মার খেলেন সিপিএম নেতারা। রবিবার সন্ধেয় ঘটনাটি ঘটেছে ভাঙড়ের পাকাপোল বাজারে। ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠেছে তৃণমূলের দিকে। ভাঙড় ২ পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ খাইরুল ইসলামের নেতৃত্বে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ সিপিআইএমের।
সিপিএম জানিয়েছে, এদিন সন্ধেয় ভাঙড়ের সিপিএম নেতা পলাশ গঙ্গোপাধ্যায়, তরিকুল ইসলাম, নুর মহম্মদ মোল্লা-সহ বেশ কিছু সিপিআইএম নেতা ত্রাণ সংগ্রহ করছিলেন নিউটাউন লাগোয়া পাকাপোল বাজারে। ওই বাজারেই দলীয় কার্যালয় তৃণমূল নেতা খাইরুল ইসলামের। অভিযোগ, খাইরুল ইসলামের অনুগামী বেশ কয়েকজন কর্মী-সমর্থক এসে সিপিএম নেতাদের উপর চড়াও হয়। অকথ্য গালাগালির পাশাপাশি কিল-ঘুষি মারা হয়। ঘটনার পর পোলেরহাট থানার পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে। আহতদের সোনারপুরের একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
আহতদের দেখতে হাসপাতালে যান সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী, সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলকে তোপ দেগে সুজন বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে জঙ্গলের রাজত্ব চলছে। ত্রাণ সংগ্রহ করতেও বাধা দেওয়া হচ্ছে। ত্রাণ সংগ্রহ করতেও বাধা? বলছে, কেন এখানে ত্রাণ সংগ্রহ করছ? কেন এখানে লাল ঝান্ডা আসবে? সাত-আটজন আহত হয়েছেন। মাটিতে ফেলে লাথি মারা হয়েছে। জনা চল্লিশেক ছিল। বাংলাকে আর ধ্বংস করতে কী বাকি রইল?”
সিপিএম নেতাদের মারধরের অভিযোগ নিয়ে ক্যানিং পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লা বলেন, “আমি বিষয়টা সবে শুনলাম। খোঁজ নিয়ে দেখছি। তবে এই পয়সা তোলা অভ্যাসটা কি বন্ধ হবে না? যে দলের হাজার হাজার কোটি টাকার ফান্ড আছে, তারা কৌটা নিয়ে বেরিয়েছে। এদের দেখে বিজেপি-ও কৌটা নিয়ে বেরিয়েছে। বাংলার মানুষ এদের ভিক্ষা দিতে দিতে ফকির হয়ে যাবে।” এরপরই তাঁর বক্তব্য, যদি মারধর করা হয়, সেটা ঠিক হয়নি।