Stress Management: চাপের মুখে যেন মহেন্দ্র সিং ধোনি! এই উপায়ে মাথা রাখুন বরফের মতো ঠান্ডা – Bengali News | Stress Management: Be like Mahendra Singh Dhoni under pressure! Keep your head as cool as ice in this way
জীবন মানেই চাপ। ইঁদুর দৌড়ে যে মানুষটা দৌড়াচ্ছে সেও চাপে রয়েছে, আবার যে মানুষটা সেই ইঁদুর দৌড়ের বাইরে, চাপে রয়েছে সেও। কিন্তু খেয়াল করে দেখলে দেখা যায়, চরম চাপের মুখে সাধারণ মানুষ দিশেহারা হয়ে যায়, খেই হারিয়ে ফেলে। তখন কোনটা ঠিক আর কোনটা ভুল সেই পার্থক্যই যেন করতে পারে না সাধারণ মানুষ। কিন্তু খুব কম মানুষই এমন রয়েছেন যাঁরা চরম চাপের মুখেও শান্ত থাকতে পারেন, অদ্ভূত রকম নিষ্পৃহ থাকতে পারেন। আর মাথা থাকে বরফ শীতল। দিনের শেষে কিন্তু চ্যাম্পিয়ন তাঁরাই হন। এই যেমন, মহেন্দ্র সিং ধোনি। আসলে চাপের মুখে এই যে মাথা ঠান্ডা রাখা, এটা একটা দক্ষতা যা যে কেউ তৈরি করতে পারে।
গভীর শ্বাস: স্নায়ুতন্ত্রকে স্বাভাবিক করার উপায়
চাপের মুখে পড়লে শরীর দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখায়। হৃৎপিণ্ড খুব দ্রুতগতিতে চলতে থাকে সেই সময়। শ্বাস প্রশ্বাস হালকা হয়ে যায়। এর মোকাবিলা করে গভীর শ্বাসপ্রশ্বাস। ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রিত শ্বাসপ্রশ্বাসের মাধ্যমে হৃৎপিণ্ডের গতি স্বাভাবিক হয়ে যায়, টেনশন কমে। এ ছাড়াও বক্স ব্রিদিং (৪ সেকেন্ড ধরে শ্বাস নেওয়া, ৪ সেকেন্ড ধরে রাখা, ৪ সেকেন্ড ধরে ছাড়া ও আবার ৪ সেকেন্ড পর শ্বাস নেওয়া) মাধ্যমে আপনার নার্ভাস সিস্টেমকে শান্ত করতে পারে।
বর্তমান মুহূর্তে ফোকাস: Mindfulness-এর শক্তি
বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আগামীতে কী হবে সেই নিয়ে চিন্তা করে বা অতীতের কথা চিন্তা করে স্ট্রেস বাড়ে মানুষের। ফলে, আগামীর চিন্তা বন্ধ করে ও অতীতকে আঁকড়ে ধরে না রেখে মনঃসংযোগ করতে হবে বর্তমানে। আর এটাই চাপমুক্ত থাকার সেরা উপায়। এবং যে বিষয় আপনার হাতে নেই, তা নিয়ে না ভেবে সেই সম্পর্কে শুধু সচেতন থাকুন ও যে বিষয়টি আপনাত হাতে রয়েছে ভাবুন শুধু সেটা নিয়েই।
দৃষ্টিভঙ্গি বদলান: চ্যালেঞ্জকে সুযোগ হিসাবে দেখুন
পরিস্থিতি যখন হাতের বাইরে চলে যায়, তখনই মনে একাধিক খারাপ চিন্তা আসে। মন নেতিবাচক চিন্তা করে। এই সময় মস্তিষ্ককে এমনভাবে প্রশিক্ষিত করতে হবে যাতে আপনার মন এই খারাপ সময়ের মধ্যেও ইতিবাচক থাকে ও সঠিক সুযোগ খুঁজে পায়। যে কোনও চ্যালেঞ্জকে শেখার সুযোগ হিসাবে দেখতে হবে। দৃষ্টিভঙ্গির এই পরিবর্তন কগ্নিটিভ রিফ্রেমিং নামে পরিচিত। যা আপনাকে সর্বদা ইতিবাচক থাকতে ও সমস্যার সমাধান করতে সাহায্য করবে।
রুটিন ও শৃঙ্খলা: স্থিতিশীলতার ভিত্তি
সর্বদা একটা শৃঙ্খলার মধ্যে থাকুন। শৃঙ্খলা স্থিতিশীলতা নিয়ে আসে, আর স্থিতিশীলতা স্ট্রেশ কমাতে সাহায্য করে। সারাদিন একটা নির্দিষ্ট রুটিন মেনে চলা উচিত। এর ফলে, সিদ্ধান্ত নেওয়ার যে চাপ, তা কমে যায় আর আপনাকে শান্ত থাকতে সাহায্য করে। এ ছাড়াও ব্যায়াম ও ধ্যান মনকে শান্ত ও একাগ্র করে তোলে।
শরীর সুস্থ রাখুন: ভাল থাকবে মন
মন শান্ত রাখার জন্য শরীরকে সুস্থ রাখা খুবই জরুরি। নিয়মিত ব্যয়াম, সঠিক খাবার ও প্রয়োজনীয় ঘুম, স্ট্রেস কাটিয়ে দিতে পারে। আর শরীরের যত্ন নিলে মনও ভাল থাকে।