TMC: ‘মন্ত্রীর উস্কানিতে আইন শৃঙ্খলার অবনতি হলে দায় নিতে হবে’, সুকান্তর মন্তব্যে পাল্টা তৃণমূল – Bengali News | Tmc Trinamool responds to Sukantar’s comment, ‘If law and order deteriorates due to minister’s instigation, responsibility will be taken’
সুকান্ত মজুমদারকে হুঁশিয়ারি অরূপ চক্রবর্তীরImage Credit: TV9 Bangla
কলকাতা: নাগরাকাটায় বিপর্যস্ত এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন সাংসদ-বিধায়ক। এখনও পর্যন্ত তাতে গ্রেফতারি শূন্য। এবার পাল্টা মারের নিদান দিয়েছেন বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। পাল্টা হুঙ্কার দিল তৃণমূলও। আগুন নিয়ে খেলবেন না, আগুন নিয়ে খেললে নিজের হাতেই পুড়বে, উস্কানি দিচ্ছেন সুকান্ত। পাল্টা হুঁশিয়ারি দিলেন তৃণমূলের মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী। তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর উস্কানিতে আইন শৃঙ্খলার অবনতি হলে তার দায় নিতে হবে।
প্রসঙ্গত, বুধবার শিলিগুড়িতে যান সুকান্ত মজুমদার। শিলিগুড়ি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আক্রান্ত খগেন মুর্মুকে দেখার পর সাংবাদিক বৈঠক করেন। কেন এখনও পর্যন্ত এই নিয়ে একজনকেও গ্রেফতার করতে পারল না পুলিশ, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। আর সে প্রসঙ্গেই তিনি বলেন, “আমরা পরিস্কার বলে দিচ্ছি , যাঁদের নাম ও ফটো দেখা গিয়েছে, পুলিশ যদি এঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়, বিজেপি বিজেপির মতো করে ট্রিটমেন্ট করবে। এখনও কেউ গ্রেফতার হয় না কেন? আমাদের ট্যাক্সের টাকায় পুলিশের বেতন হবে, আর কেউ গ্রেফতার হবে না, এটা মেনে নেওয়া যায় না। হয় পুলিশ ব্যবস্থা নেবে, নয়তো পাল্টা মারব আমরা।”
তারই পাল্টা তৃণমূলের মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেন, “হুমকি দিচ্ছেন, উত্তরবঙ্গে নাকি তাঁদের এত ক্ষমতা রয়েছে, যে তৃণমূলকে ধরে পেটাতে পারেন। বারবার বলছি, এই ধরনের আগুন নিয়ে খেলবেন না, তাতে নিজেদের হাতই পুড়বে।” সুকান্ত মজুমদারের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আপনি নির্বাচিত সাংসদ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। আপনার মুখ থেকে যদি এই প্ররোচনামূলক মন্তব্য আসে, আর তাতে আগামী দিনে যদি রাজ্যের আইন শৃঙ্খলার কোনও রকম প্রভাব পড়ে, তার জন্য দায়িত্ব কিন্তু সুকান্ত মজুমদারকেই নিতে হবে।”
এই নিয়ে সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, “সংসদীয় মনোভাব, গণতান্ত্রিক মনোভাব তৃণমূলের নেই। বাংলার বাইরে মানুষ জানে বিজেপির নেই। দেখে নেব, বুঝে নেব, দুজনেরই মনোভাব। আসলে যে মানুষ যে বিপন্ন হচ্ছে, সেদিকে নজর নেই। ভোটের জন্য কে কতটা কাকে ঠুসছে, সেটাই চলছে। বরং এটা নিয়ে কথা বলা উচিত, কেন প্রকৃতিতে এত বিপন্ন করা হচ্ছে, যে প্রকৃতির রোষে পড়ছে মানুষ।”