রেললাইনের ধারে উদ্ধার বিজেপি নেতার ছেলের দেহ, খুনের অভিযোগ পরিবারের - 24 Ghanta Bangla News
Home

রেললাইনের ধারে উদ্ধার বিজেপি নেতার ছেলের দেহ, খুনের অভিযোগ পরিবারের

কোচবিহারের মাথাভাঙার ঘোকসাডাঙা থানার অন্তর্গত শিলডাঙা এলাকায় রেললাইনের পাশ থেকে উদ্ধার হল বিজেপি নেতার ছেলের দেহ। ঘটনাটি ঘিরে তীব্র রহস্য তৈরি হয়েছে। এটি কি আত্মহত্যা, নাকি খুন করে দেহ ফেলে দেওয়া হয়েছে? তাই নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। পরিবারের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে তাঁদের সন্তানকে। এই অভিযোগে স্থানীয় তৃণমূল নেতার নামও উঠে এসেছে।

আরও পড়ুন: একাদশীর সকালে বারুইপুরে উদ্ধার যুবকের নলিকাটা দেহ, মদের আসরে ডেকেই কি খুন?

মৃত যুবকের নাম প্রলয় বর্মন। তিনি পেশায় মুহুরী ছিলেন। তাঁর বাবা অধীর বর্মন দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত। গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে এই ঘটনাটি ঘটে। পরিবার জানাচ্ছে, ঘটনার পর থেকেই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তাঁদের অভিযোগ, দেহ উদ্ধারের পরও টানা তিন দিন এফআইআর নেয়নি পুলিশ। অধীর বর্মন জানিয়েছেন, দুর্গাপুজোর চাঁদা নিয়ে ছেলের সঙ্গে দ্বন্দ্ব বাধে নীলডাঙা বিধান সংঘ ক্লাবের সদস্যদের। নবমীর রাতে সেই ক্লাবেই ঘটে মূল ঘটনা। তাঁর দাবি, প্রলয়কে সেখানে মারধর করে খুন করা হয়। পরে ঘটনাকে ঢাকতে দেহ রেললাইনে ফেলে দেওয়া হয়।

তিনি আরও জানান, ঘটনার রাতে ছেলের মোবাইল থেকেই তাঁর কাছে একটি ফোন আসে। তাঁকে বলা হয়, প্রলয়ের বাইক ক্লাবের প্যান্ডেলের এক অংশে ধাক্কা দিয়েছে। খবর পেয়ে অধীর বর্মন ঘটনাস্থলে গেলে দেখতে পান, ছেলের বাইক ও মোবাইল পড়ে আছে, কিন্তু প্রলয়ের আর খোঁজ নেই। ক্লাব কর্তাদের প্রশ্ন করলে তাঁরা জানান, প্রলয় নাকি সেখান থেকে চলে গিয়েছে।

এরপর অধীর আবার ক্লাবে খোঁজ নিতে গেলে এক সদস্য তাঁকে খোঁজ করতে বলেন। আর কোথাও পড়ে থাকতে পারে সেকথাও বলেন। এরপর কিছুটা দূরে রেললাইনের ধারে পড়ে থাকতে দেখা যায় প্রলয়ের দেহ।অধীর বর্মনের দাবি, এই ঘটনার পিছনে রয়েছে স্থানীয় তৃণমূল নেতা মাধব বর্মনের ইন্ধন। তাঁর নামেও লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

তবে পরিবারের অভিযোগ, পুলিশ প্রথমে মামলা নিতে গড়িমসি করে। শেষ পর্যন্ত মুহুরীদের সংগঠনের পরামর্শে অনলাইনে এফআইআর করা হয়। তারপরেই অভিযোগ নথিভুক্ত করে ঘোকসাডাঙা থানার পুলিশ।এই মৃত্যু আত্মহত্যা, নাকি পরিকল্পিত খুন? তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি উঠেছে, প্রলয়ের রাজনৈতিক পরিচয়ই তাঁর মৃত্যুর কারণ। অন্যদিকে, পুলিশের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ ছড়িয়েছে স্থানীয় মহলে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *