একাধিক সাংগঠনিক জেলায় রদবদল তৃণমূলের, মহালয়ার আগেই প্রকাশিত তালিকা, বাংলার মুখ
রাজ্যের একাধিক সাংগঠনিক জেলায় রদবদল করল তৃণমূল কংগ্রেস। পুজোর আগেই হাওড়া গ্রামীণ, শ্রীরামপুর, আরামবাগ, বহরমপুর, পূর্ব বর্ধমান, বাঁকুড়া, বিষ্ণুপুরে যুব, মহিলা, শ্রমিক ও মূল সংগঠনে ব্লক ও টাউন স্তরে নয়া সভাপতি নিয়োগ করল রাজ্যের শাসকদল। এর আগে মনে করা হচ্ছিল, পুজোর পরপরই নতুন কমিটি ঘোষণা করে নির্বাচনের জন্য ঝাঁপাবে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে দেখা গেল, মহালয়ার আগের রাতে কয়েকটি সাংগঠনিক জেলায় নতুন ব্লক ও টাউন সভাপতিদের নাম ঘোষণা করল তৃণমূল।
এর আগে বিভিন্ন সাংগঠনিক জেলার নেতৃত্বের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিকে এই রদবদলের মাধ্যমে দলীয় সংগঠনের বিকেন্দ্রীকরণের পথে হাঁটে তৃণমূল। এই আবহে নয়া নিয়মে, যাঁরা পুরসভার কাউন্সিলর, তাঁরা আর নিজেদের ওয়ার্ডের দলীয় সংগঠনের সভাপতি হতে পারবেন না। এদিকে আগামী সপ্তাহে উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতা জেলার বৈঠক ডেকেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সুব্রত বক্সী। সেই বৈঠকে ডাকা হয়েছে বিধায়কদেরও। এদিকে এর আগে দলের তরফ থেকে অভ্যন্তরীণ রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে সংগঠন নিয়ে।
এদিকে প্রশ্ন উঠেছে, যদি কোনও কাউন্সিলর নিজে সভাপতি না হলেও তাঁর পরিবারের কেউ সেই পদে বসেন, তাহলে বিকেন্দ্রীকরণের এই নীতি কতটা কার্যকর হবে? তবে জানা যাচ্ছে, সেই ক্ষেত্রে স্থানীয় কোনও সিনিয়র নেতাকে সভাপতি পদে বসানো হতে পারে। এদিকে তৃণমূলের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, হাওড়া গ্রামীণের মোট ৮টি টাউন ও ব্লকস্তরে রদবদল হয়েছে। ব্লক কমিটি ঘোষণা হতেই দলীয় পদ থেকে তৃণমূল বিধায়ক সমীর পাঁজা ইস্তফা দেন। হাওড়া গ্রামীণ সাংগঠনিক জেলার তৃণমূল চেয়ারম্যানের পদে ছিলেন তিনি। এই নিয়ে সমীর পাঁজা বলেন, ‘বর্তমান সভাপতিদের সরিয়ে নতুনদের দায়িত্ব দেওয়ার কথা বলেছিলাম। বৈঠকের আগেই হঠাৎ জেলা কমিটি ঘোষণা, প্রতিবাদে পদত্যাগ।’