Panskura Case: পাঁশকুড়ায় মহিলা কমিশন, দেখা করলেন না SP, গেলেন না SDPO! ‘এবার দিল্লিতে আসতে হবে’, কড়া সুরে বললেন অর্চনা – Bengali News | NCW member blasts police role in Panskura hospital case — demands accountability for security lapses
জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্য অর্চনা মজুমদারImage Credit: নিজস্ব চিত্র
পূর্ব মেদিনীপুর: পাঁশকুড়ার ঘটনার দিন পাঁচেকের মাথায় রাজ্যে এলেন জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্য অর্চনা মজুমদার। শনিবার সকাল ১১টা ৪০ মিনিট নাগাদ পাঁশকুড়ায় পৌঁছন তিনি। ওঠেন কোলাঘাট থার্মাল পাওয়ারের গেস্ট হাউসে। আর বাংলায় এসেই পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
এল না জেলা সুপার, এল না তাঁর কোনও প্রতিনিধিও। যা ঘিরে চড়ল ক্ষোভ। এদিন দিল্লি থেকে আগত কমিশনের সদস্য বলেন, ‘যাদবপুরের ঘটনা শুনেছেন, এখানে পাঁশকুড়াতেও এত ভয়াবহ কাণ্ড। মেয়েদের নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে। এটা খুবই শোচনীয়। কিন্তু কেন এমনটা হচ্ছে?’
এরপরেই পুলিশের বিরদ্ধে সরাসরি ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। অর্চনা মজুমদার বলেন, ‘আজ আমার পুলিশ সুপারের সঙ্গে বৈঠকের কথা ছিল। কিন্তু উনি আগাম জানিয়ে দেন যে তিনি আসতে পারবে না। তাই তাঁর পরিবর্তে এসডিপিও আসবেন। আমি ক্ষণিক আগেই ওনাকে সাক্ষাতের জন্য ফোন করি। কিন্তু উনি আমাকে জানান, কোথাও একটা বন্যা পরিস্থিতির কারণে তাঁকে তড়িঘড়ি সেই দিকেই রওনা দিতে হয়েছে। দিল্লি থেকে জাতীয় মহিলা কমিশনের প্রতিনিধি এসেছে, কিন্তু এখানে আমার সঙ্গে দেখা করার জন্য কোনও পুলিশের প্রতিনিধিই আসেননি।’
তাঁর সংযোজন, ‘আমার কাছে মোট ৪১ জন অভিযোগ জানিয়েছেন। তার মধ্যে দু’জন ধর্ষণের অভিযোগ জানিয়েছেন। ওনারা অবশ্য জেলাশাসকের কাছেও লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এত বড় একটা ঘটনা। কিন্তু পুলিশের তরফে কমিশনের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে এই ঘটনায় সমাধান সূত্র টানার জন্য কোনও পদক্ষেপই দেখা গেল না। এটা ইচ্ছাকৃত না অনিচ্ছাকৃত তা আমি সত্যিই জানি না। তবে একটা জিনিস খুব স্পষ্ট, এ রাজ্যে মেয়েদের বিচার পেতে দেরি হবেই। পুলিশ অপারগ। কমিশন এখানে থামবে না। এর তদন্ত হবে। বিচার হবে। আর উনি (পুলিশ সুপার) তো আমাদের সঙ্গে দেখা করতে এলেন না। এবার তিনি দিল্লি গিয়ে দেখা করবেন।’