মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা ট্রাম্পের! TCS-Wipro-র কর্মীদের চাকরি কি টিকে থাকবে? – Bengali News | TCS, Wipro, Amazon, Microsoft will be worst hit by Trump’s H 1B Visa Rules, No Entry in US if not paid 1 Lakh US Dollar
ওয়াশিংটন: শুল্কের খাড়ার পর ট্রাম্পের আরও এক খাড়া। এবার এইচ-১বি ভিসার উপরে কোপ। মার্কিন মুলুকে থেকে চাকরি করতে গেলে বছর বছর সরকারকে দিতে হবে কড়কড়ে ১ লক্ষ ডলার, ভারতীয় মুদ্রায় যার অঙ্ক ৯০ লক্ষ টাকা। এই টাকা না দিতে পারলে, রবিবার থেকে আমেরিকায় নো এন্ট্রি। এবার বিদেশি কর্মীরা কী করবেন? সেই দেশে টাকা দিয়ে চাকরি করবেন নাকি ফিরে আসবেন নিজের দেশে? মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই সিদ্ধান্তে সবথেকে বেশি প্রভাবিত হবে তথ্য প্রযুক্তি সংস্থাগুলি। কোন কোন সংস্থা জানেন?
ট্রাম্পের এইচ-১বি ভিসায় সবথেকে প্রভাবিত হবে অ্যামাজন সংস্থা। ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, অ্যামাজনে ১০ হাজার ৪৪ জন কর্মী এইচ-১বি ভিসায় কাজ করেন। এরপরই রয়েছে টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিস। টিসিএসে প্রায় ৫ হাজারেরও বেশি কর্মী এইচ-১বি ভিসাতে কাজ করেন।
মাইক্রোসফ্টে ৫ হাজার ১৮৯ জন কর্মী এইচ-১বি ভিসায় কাজ করেন, মেটায় ৫ হাজার ১২৩ জন কর্মী এইচ-১বি ভিসায় কাজ করেন। অ্যাপেলে ৪ হাজার ২০২ জন কর্মী, গুগলে ৪ হাজার ১৮১ জন, ডেলয়েট (Deloitte)-এ ২ হাজার ৩৫৩ জন, ইনফোসিসে ২ হাজার, উইপ্রোতে ১৫২৩ এবং টেক মাহিন্দ্রাতে ৯৫১ জন কর্মী এইচ-১বি ভিসায় কর্মরত।
গত জুলাই মাসেই মার্কিন সরকার জানিয়েছিল যে ৬৫ হাজার এইচ-১বি ভিসা এবং ২০ হাজার এইচ-১বি ভিসা ইউএস অ্য়াডভান্সড ডিগ্রি, যা মাস্টার্স ক্যাপ নামেই পরিচিত, তা ২০২৬ অর্থবর্ষের জন্য সীমা ধার্য করা হয়েছে।
তথ্য় বলছে, ট্রাম্পের এই ঘোষণার আগেই বিভিন্ন মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানিগুলি তাদের দক্ষ মার্কিন কর্মীদের ছাঁটাই করে দিয়েছে এবং তার বদলে একই খরচে হাজার হাজার এইচ-১বি ভিসায় বিদেশি কর্মী নিয়োগ করেছে। আমেরিকার একটি সংস্থা ৫ হাজার এইচ-১বি ভিসায় কর্মী নিয়োগ করেছে চলতি অর্থবর্ষে, সেখানেই ১৫ হাজার কর্মী ছাঁটাই করেছে। আরেকটি আইটি কোম্পানি ১৭০০ কর্মী এইচ-১বি ভিসায় নিয়োগ করেছে। জুলাই মাসে ছাঁটাই করেছে ২৪০০ কর্মী। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই রীতিই থামাতে চাইছেন। বিদেশি কর্মীদের নিয়োগ বন্ধ করে আমেরিকান কর্মীদেরই সুযোগ দিতে চান।