Rampurhat Murder: 'তুই বড় হ্, তোকে বিয়ে করব...', কেন সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে টুকরো টুকরো করে কাটলেন শিক্ষক? ভয়ঙ্কর অভিযোগ - Bengali News | Rampurhat murder: why did the teacher cut a seventh grader into pieces? Horrifying allegations - 24 Ghanta Bangla News
Home

Rampurhat Murder: ‘তুই বড় হ্, তোকে বিয়ে করব…’, কেন সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে টুকরো টুকরো করে কাটলেন শিক্ষক? ভয়ঙ্কর অভিযোগ – Bengali News | Rampurhat murder: why did the teacher cut a seventh grader into pieces? Horrifying allegations

Spread the love

বাঁ দিকে, ধৃত অভিযুক্ত শিক্ষক, ডান দিকে প্রধান শিক্ষকImage Credit: TV9 Bangla

রামপুরহাট: ছাত্রী খুনে উত্তাল রামপুরহাট। খুনের পর প্রমাণ লোপাটের জন্য দেহ ২০টা টুকরো করে কাটার অভিযোগ। তারপর সেই দেহাংশ ফেলা হয় জলে। ২০ দিন ধরে নিখোঁজ থাকার পর উদ্ধার হয় ছাত্রীর পচাগলা দেহাংশ। ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে স্কুলেরই ভৌত বিজ্ঞানের শিক্ষক মনোজ কুমার পাল। বৃহস্পতিবার স্কুলের প্রধান শিক্ষককে ঘেরাও করেন উত্তেজিত জনতা। তাঁকে ধরে টানা হিঁচড়া করতে থাকেন। উদ্ধার করতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়ে পুলিশ।

কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, কী কারণে নৃশংসভাবে খুন করা হল ওই ছাত্রীকে? অভিযোগ, বিয়ের জন্যই নাকি সপ্তম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে চাপ দিচ্ছিলেন শিক্ষক। বারবার তাঁকে উত্ত্যক্ত করতেন বলে অভিযোগ। কিন্তু বিয়ে করতে রাজি হয়নি ওই ছাত্রী। বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়াতেই খুন, এমনটাই অনুমান করছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে তেমনটা জানা গিয়েছে।

গ্রামের এক বাসিন্দা বলছেন, “আমাদের গ্রামের ছেলেমেয়েরা এখন অনেকেই মুখ খুলছে। ওরা বলছে, ওই ছাত্রীকে যাতায়াতের পথে বারবার আটকাত ওই স্যর। অন্য কোনও ছেলের সঙ্গে কথা বলতে দিত না। বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিল। বলেছিল, বড় হও, তোমাকেই বিয়ে করব। কিন্তু ২৮ তারিখ যে মনোজ স্যরই নিয়ে পালিয়েছিল, সেটা বুঝতে পারিনি।”

বুধবার রাতভোর ওই শিক্ষককে জেরা করেছে পুলিশ। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৮ অগষ্ট টিউশন পড়তে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল সপ্তম শ্রেণির ওই ছাত্রী। পরিবারের পক্ষ থেকে রামপুরহাট থানায় নিখোঁজ অভিযোগ দায়ের করেন পরিবারের লোকজন। মঙ্গলবার গভীর রাতে রামপুরহাট থানার কালিডাঙা গ্রামের কাছে জলাজমি থেকে তার পচা গলা মৃত দেহ উদ্ধার করে রামপুরহাট থানার পুলিশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *