Malda:‘ওরাই মেরে ফেলেছে মেয়েটাকে’, সন্তান প্রসবের পরেই তরুণীর মৃত্যুতে নার্সিংহোমের সামনে তুমুল বিক্ষোভ - Bengali News | Allegation of Maternal death due to medical negligence, huge protest in front of nursing home over body - 24 Ghanta Bangla News
Home

Malda:‘ওরাই মেরে ফেলেছে মেয়েটাকে’, সন্তান প্রসবের পরেই তরুণীর মৃত্যুতে নার্সিংহোমের সামনে তুমুল বিক্ষোভ – Bengali News | Allegation of Maternal death due to medical negligence, huge protest in front of nursing home over body

Spread the love

তুমুল বিক্ষোভ মালদহে Image Credit: TV9 Bangla

মালদহ: প্রসূতি মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা মালদহের নার্সিংহোমে। চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগে সরব পরিবারের লোকজন। ক্ষোভে ফেটে পড়লেন প্রতিবেশীরাও। মৃতদেহ নিয়ে নার্সিংহোমের সামনে দীর্ঘক্ষণ চলে বিক্ষোভ। মৃতের নাম এমি খাতুন (২৪)। বাড়ি চাঁচলের খরবা গ্রাম পঞ্চায়েতের কেন্দুয়া এলাকায়। দু’দিন আগে প্রসবের জন্য চাঁচলের কলেজ মোড়ের বিপরীতে থাকা একটি নার্সিংহোমে তাকে ভর্তি করানো হয়। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে একটি কন্যা সন্তানেরও জন্ম দেন। ততক্ষণও সব ঠিক ছিল। 

এরইমধ্যে পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন তরুণীর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হচ্ছে। অবস্থা এতটাই খারা হয়ে যায় যে বুধবার রাত দু’টো তাঁকে অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার তোড়জোড় শুরু হয়। সঙ্কটের মধ্যেই শেষ পর্যন্ত তাঁকে মালদহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। 

মৃতদেহ নিয়ে সোজা চাঁচলে ফিরে আসেন পরিবারের সদস্যরা। চাঁচলের ওই নার্সিংহোমের গেটের সামনে দেহ নিয়ে তুমুল বিক্ষোভ দেখান মৃতের পরিজনেরা। তাঁদের অভিযোগ, সঠিকভাবে অস্ত্রোপচার হয়নি। এর জেরেই রক্তক্ষরণ থামেনি। অস্ত্রোপচারে গাফিলতি না হলে এটা কোনওভাবেই হত না। অকালে চলে যেতে হত না মেয়েটাকে। মৃতের পরিবারের সদস্যরা বলছেন, আমরা এর বিচার চাই। আমরা ওদের শাস্তি চাই। মৃতের বাবা আমিন বলছেন, রাতে আমচমকা আমরা জানতে পেরেছিলাম। এখানে থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাই। তারপর সদরে নিয়ে যাই। কিন্তু কিচ্ছু হয়নি। মেয়েটার ভুল অপারেশন হয়েছিল। তার জেরেই এটা হয়েছে। আমরা এর বিচার চাই। অন্যেদিক এ বিষয়ে নার্সিংহোমের চিকিৎসক বিশ্বজিৎ রায়কে ধরা হলে তিনি বলেন, “যদি ভুল চিকিৎসার কারণে মৃত্যু হয়, তাহলে ময়নাতদন্ত করে দেখা হোক।” 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *