বিহারের পর SIR হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে, আজ থেকে শুরু নির্বাচনী আধিকারিকদের প্রশিক্ষণ, বাংলার মুখ - 24 Ghanta Bangla News
Home

বিহারের পর SIR হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে, আজ থেকে শুরু নির্বাচনী আধিকারিকদের প্রশিক্ষণ, বাংলার মুখ

Spread the love

বিহারের পর পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকায় বিশেষ সংশোধন (এসআইআর) করার প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। এর আওতায় মঙ্গলবার থেকে নির্বাচন কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু হতে পারে। এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এই তথ্য জানিয়েছেন। আগামী বছর পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল, অতিরিক্ত সিইও দিব্যেন্দু দাস এবং অরিন্দম নিযোগীর সঙ্গে মঙ্গলবারের প্রশিক্ষণ অধিবেশনের নেতৃত্ব দেবেন। ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া সঠিকভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রশিক্ষকরা যাতে বুথ স্তরের কর্মকর্তাদের (বিএলও) গাইড করতে সক্ষম হন তা নিশ্চিত করাই এর উদ্দেশ্য।

ওই আধিকারিক জানিয়েছেন, আগামী দিনে রাজ্য জুড়ে সহকারী জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং নির্বাচন নিবন্ধন আধিকারিকদের (ইআরও) প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘এই আধিকারিকরা তখন বিএলওদের প্রশিক্ষণ দেবেন, যারা তৃণমূল স্তরে সরাসরি ভোটারদের কাছে পৌঁছে যাবেন।’ তিনি বলেন, এডিএম এবং ইআরও-দের প্রশিক্ষণ শেষ হওয়ার পর বিএলও-রা এসআইআর প্রচারাভিযান শুরু করবেন। সেই সময় ভোটারদের প্রয়োজনীয় ফর্ম পূরণে কীভাবে সহায়তা করবেন, সে সম্পর্কে বিএলও-দের নির্দেশ দেওয়া হবে প্রশিক্ষণে। সিনিয়র আধিকারিক বলেন, ‘বিএলও-রা রাজ্যের বিভিন্ন বাড়িতে গিয়ে বিস্তারিত তথ্য যাচাই করবেন এবং যথাযথ নথি রয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।’

উল্লেখ্য, সারা দেশে ভোটার তালিকা আরও নির্ভুল করার জন্য নির্বাচন কমিশন (ইসি) ‘বিহার মডেল’ গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। কমিশন সম্প্রতি সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের (সিইও) সঙ্গে বৈঠক করে। প্রতিটি রাজ্যকেই তাদের আগের স্পেশাল ইনটেসিভ রিভিশন তালিকার সঙ্গে বর্তমান ভোটার তালিকা মিলিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। এই আবহে শুধু বাংলা নয়, গোটা দেশেই হবে এসআইআর। এদিকে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, অক্টোবর থেকেই গোটা দেশে এই প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। কমিশনের তরফ থেকে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রস্তুতি শেষ করতে হবে সব রাজ্যকে।

উল্লেখ্য, কমিশন গত ২৪ জুন আদেশ দিয়ে জানিয়েছিল, ২০০৩ সালের পরে বিহারের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত সকলকে তাদের জন্ম তারিখ/জন্মস্থান প্রমাণ করে নথি জমা দিতে হবে। ১৯৮৭ সালের ১ জুলাইয়ের পরে জন্মগ্রহণকারী ভোটারদেরও তাদের পিতামাতার নথি সরবরাহ করতে বলা হয়েছিল। এটা নাগরিকত্ব আইন, ১৯৬৫-র বিধানগুলির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *