Suvendu Adhikari: 'এখানকার সাংসদ বারবার হিন্দু সংস্কৃতিকে অপমান করেন, প্রতিবাদ হয় না কেন?', মহুয়াকে খোঁচা শুভেন্দুর - Bengali News | Suvendu adhikari the mp here repeatedly insults hindu culture why isnt there a protest suvendu adhikari pokes fun at mahua moitra - 24 Ghanta Bangla News
Home

Suvendu Adhikari: ‘এখানকার সাংসদ বারবার হিন্দু সংস্কৃতিকে অপমান করেন, প্রতিবাদ হয় না কেন?’, মহুয়াকে খোঁচা শুভেন্দুর – Bengali News | Suvendu adhikari the mp here repeatedly insults hindu culture why isnt there a protest suvendu adhikari pokes fun at mahua moitra

Spread the love

মহুয়া মৈত্র সম্পর্কে শুভেন্দু অধিকারী Image Credit: TV9 Bangla

নদিয়া: মতুয়া নিয়ে মন্তব্য বিতর্কে এখনও নিজের অবস্থানে অনড় তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। কৃষ্ণনগরের মাটিতে দাঁড়িয়েই এবার মহুয়াকে জবাব দিলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।  কৃষ্ণনগর লোকসভার সাংসদ মহুয়া মৈত্র মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করায় নদিয়ার কৃষ্ণনগরে পথসভার আয়োজন করে বিজেপি।

সভামঞ্চ থেকে শুভেন্দু বলেন, “এখানকার সাংসদের কত বড় সাহস, এক বার নয়, বারেবারে হিন্দু সংস্কৃতি, বৈষ্ণব, নমঃশূদ্র, মতুয়া, তাঁদের ধর্মীয় রীতিনীতি, তাঁদের গুরুদেবের দেখানো পথকে অপমান করেন। প্রতিবাদ হয় না কেন? আমাদের সনাতন সংস্কৃতি রক্ষা করব। শ্যামপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়রা এই বাংলা দিয়ে গিয়েছেন আমাদের। এই বাংলা আমরা বাংলাদেশি মুসলমান, রোহিঙ্গাদের হাতে তুলে দেব না।”

ছাব্বিশের নির্বাচনে হিন্দুদের আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ করার ডাক দিয়ে এলাকা ধরে ধরে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করেন শুভেন্দু। তিনি বলেন,  “করিমপুর হাতে রয়েছে, তেহট্ট যায় যায় করছে, চাপড়া, কালীগঞ্জ, দেবগ্রামের কী অবস্থা, শিবরাত্রির সলতে মতো টিম টিম করে জ্বলছে কৃষ্ণনগরটা। ধুবুলিয়া অবধি এসে গিয়েছে, আর ১৭ কিলোমিটার বাকি রয়েছে।”

এদিন কৃষ্ণনগরের রাজবাড়ি প্রাঙ্গণ থাকে বিশাল পদযাত্রায় পা মেলান বিজেপির বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এরপরে কৃষ্ণনগর পোস্ট অফিস মোড়ে প্রতিবাদ সভা করেন।

বিতর্কের সূত্রপাত কৃষ্ণনগরের একটি সভায়। সম্প্রতি ওই সভায় মহুয়া মৈত্রকে বলতে শোনা যায়, “সারা বছর তৃণমূল। আর ভোটের সময় সনাতনী। এটা কী অঙ্ক ভাই?” রাজ্য সরকারের অন্যতম জনপ্রিয় প্রকল্প লক্ষ্মীর ভান্ডারের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, অন্যদের তুলনায় তফসিলি জাতি, জনজাতির মহিলারা এই প্রকল্পে বেশি টাকা পান। অভিযোগ করে বলেন, এত কিছুর পরেও মতুয়া প্রধান বিভিন্ন বুথে অন্য দলকে ভোট দেওয়া হয়।

মহুয়া বলেন, “কাজের সময় মমতা, রাস্তার সময় মমতা। কাঠের মালা পরে সব তো চলে আসেন ভাই ভাতা নিতে? তখন কী হয়? আমার কথা নিয়ে টিভিতে দেখানো হয়, ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। আমার কিছু যায় আসে না।” মহুয়ার দাবি, ওই এলাকায় ১০০টি ভোটের মধ্যে ৮৫টি যায় বিজেপিতে এবং ১৫টি যায় অন্য দলে।

মহুয়ার এই মন্তব্যে কম বিতর্ক দানা বাঁধেনি। থানায় অভিযোগ দায়ের করে বিজেপি। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে মহুয়া মৈত্রের কাছে নালিশ করেন  সাংসদ মমতাবালা ঠাকুরের অনুগামীরা। শুক্রবারই মহুয়া নিজের বক্তব্যের সমর্থনে বলেন, “মতুয়া নিয়ে আমি কিছু ভুল বলিনি । বিজেপি অপব্যাখ্যা করছে । বনগাঁ আমরা জিতিনি। কৃষ্ণনগর টাউন আমরা জিতিনি। কিন্তু তাই বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উন্নয়নের কাজ ওখানে থামাননি । বিজেপি বাংলায় জেতেনি । তাই টাকা বন্ধ করে দিয়েছে । আমি সেকথাই বলেছি।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *