Samik Bhattacherjee: শিবপুরে শমীক ঢুকতেই তুমুল বিক্ষোভ TMC-র, গাড়ি ঘিরে চলল স্লোগান - Bengali News | Samik Bhattacherjee: BJP Samik Bhattacherjee faces protest in shivpur howrah - 24 Ghanta Bangla News
Home

Samik Bhattacherjee: শিবপুরে শমীক ঢুকতেই তুমুল বিক্ষোভ TMC-র, গাড়ি ঘিরে চলল স্লোগান – Bengali News | Samik Bhattacherjee: BJP Samik Bhattacherjee faces protest in shivpur howrah

Spread the love

হাওড়া: হাওড়ার দাসনগরে প্রবল বিক্ষোভ। বিজেপির রাজ্য-সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকে ঘিরে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখালেন তৃণমূল-কর্মী সমর্থকরা। স্লোগান পাল্টা স্লোগানে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। পুলিশের সঙ্গেও চলে ধস্তাধস্তি।

কী ঘটেছে?

জানা গিয়েছে, শিবপুর বিধানসভা কেন্দ্রে ‘আরতি কটোন মিলের’ মাঠে ‘নরেন্দ্র কাপ’ ফুটবল টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন করতে এসেছিলেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। এ দিকে, শমীক আসার খানিক আগেই শিবপুরের বিধায়ক তথা রাজ্যের ক্রিড়া প্রতিমন্ত্রী মনোজ তিওয়ারির নেতৃত্বে একটি অস্থায়ী বিক্ষোভ মঞ্চ করা হয়। সেখান থেকেই গলায় প্ল্যাকার্ড ঝুলিয়ে তাঁরা কেন্দ্রের বিরুদ্ধে স্লোগান-সাউটিং করতে থাকে। এরপরই যে মুহূর্তে শমীক ভট্টাচার্যের গাড়ি এলাকায় ঢোকে সঙ্গে সঙ্গে তাঁর গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ শুরু হয়।

তৃণমূলের মূলত দাবি ছিল, এই কটোন মিল কেন্দ্রের অধীনস্ত। এখানে আংশিকভাবে কাজ হচ্ছে। তবে বাকি কারখানা বন্ধ রয়েছে। যে শ্রমিকরা এখানে কাজ করেন, তাঁদের স্বার্থ দেখা হচ্ছে না। তাঁদের বকেয়া বেতন ও বোনাসের ব্যাপারেও ভাবা হচ্ছে না। ফলে মিলের মাঠে খেলা হলেও, কেন্দ্রের নজরদারির অভাব রয়েছে। সেই কারণেই বিজেপির রাজ্য সভাপতিকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো হয়।

এই বিক্ষোভের সময় মনোজের সঙ্গে আংশিক কথা হয় শমীকের। পরবর্তীতে বিজেপি নেতার গাড়ি ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধনের দিকে এগিয়ে যায়। পরবর্তীতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। শমীক বলেন, “নরেন্দ্র কাপ টুর্নামেন্ট চলছে। কারণ আজ শিকাগো বক্তৃতার ঐতিহাসিক দিন। সেই সম্মান জানাতেই এই কাপের আয়োজন। আমার এখানে আসার উদ্দেশ্য কোনও রাজনৈতিক দলের বিরোধিতা করা নয়। মিল বন্ধ থাকলে সেটার খোলার জন্য শ্রমিকরা বিক্ষোভ তো দেখাবেনই। সে তো আমিও চাই।”

মনোজ তিওয়ারি বলেন, “নির্বাচন চলে এসেছে এখন দেখাতে এসেছে। তবে আমাদের ক্রিড়া মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের উদ্যোগে বেলুড়মঠ থেকে বিবেকানন্দ কাপের উদ্বোধন শুরু হতে চলেছে। সেটা শুনে ওরাও চলে এসেছে এখানে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *