Chris Gayle: অসম্মানিত হয়ে পঞ্জাব ছা়ড়তে হয়েছিল... ৪ বছর পর মুখ খুললেন গেইল! - Bengali News | 'I called Kumble and cried. Rahul asked...': Chris Gayle accuses Punjab Kings of disrespect, pushing him into depression - 24 Ghanta Bangla News
Home

Chris Gayle: অসম্মানিত হয়ে পঞ্জাব ছা়ড়তে হয়েছিল… ৪ বছর পর মুখ খুললেন গেইল! – Bengali News | ‘I called Kumble and cried. Rahul asked…’: Chris Gayle accuses Punjab Kings of disrespect, pushing him into depression

Spread the love

কলকাতা: টি-টোয়েন্টিতে বিধ্বংসী। ওয়ান ডে-তে আগ্রাসী। ধ্রুপদী টেস্টেও ডাবল সেঞ্চুরির মালিক। এ হেন ক্রিকেটার প্রাক্তন হয়েও প্রাসঙ্গিক। দুরন্ত ফর্মের জন্য সব সময় আলোচনায়। আইপিএলের ছয়-মাস্টার। আরসিবিতে খেলেছেন বিরাট কোহলি, এবি ডে ভিলিয়ার্সের সঙ্গে। আবার খেলতে দেখা গিয়েছে পঞ্জাবের হয়েও। কিন্তু পঞ্জাবের তাঁর শেষটা ট্র্যাজিক ছিল। সেই ক্রিস গেইল জানিয়ে দিলেন, অসম্মানিত হয়ে পঞ্জাব ছাড়তে হয়েছিল তাঁকে। যা কার্যত হইচই ফেলে দিয়েছে। এক পডকাস্টে গেইল ক্রিকেট জীবনের অনেক কিছুই তুলে ধরেছেন। কিন্তু এই পর্বটা নিয়ে চলছে তুমুল চর্চা।

গেইল বলেছেন, ‘পঞ্জাবের সঙ্গে আইপিএল পর্বটা শেষ হওয়ার আগেই শেষ হয়ে গিয়েছিল। আমি অসম্মানিত হয়েছি কিংস ইলেভেন-এ। আমার মনে হয়েছে, আইপিএলের এমন এক সিনিয়র, যে অনেক কিছু করে দেখিয়েছে লিগে, তার সঙ্গে ঠিক করা হয়নি। আমি যেন বাচ্চা ছেলে, সে ভাবেই আচরণ করা হয়েছিল। জীবনে প্রথমবার আমি হতাশায় ডুবে গিয়েছিলাম।’

পঞ্জাবের হয়ে তিন বছর সেই অর্থে সফল ছিলেন গেইল। ৪১টা ম্যাচ খেলে ১৩০৪ রান করেছিলেন। গড় ৪০.৭৫। স্ট্রাইক রেট ১৪৮.৬৫। একটা সেঞ্চুরি ও ১০টা হাফসেঞ্চুরি করেছিলেন। গেইলের প্রত্যাশিত ঝড় দেখা যায়নি, তা তথ্যেই প্রমাণিত। ইউনিভার্স বস কিন্তু কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন তখনকার কোচ অনিল কুম্বলেকে। গেইলের কথায়, ‘অনিল কুম্বলের সঙ্গে কথা বলার সময় আমি চরম আহত হই। আমি কেঁদে ফেলেছিলাম। তীব্র হতাশ হই। অনিল কুম্বলে এবং ফ্র্যাঞ্চাইজি যে পথে চলছিল, তাতে হতবাক হয়েছিলাম।’

লোকেশ রাহুল পঞ্জাবে থেকে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেছিলেন গেইলকে। বলেছিলেন, পরের ম্যাচে তাঁকে খেলানো হবে। কিন্তু গেইল শোনেননি। ব্যাগ গুছিয়ে বেরিয়ে যান। সে সময় করোনা পর্ব চলছে। কড়া বায়ো বাবলে চলছি আইপিএলের খেলা। গেইল বলেছেন, ‘ওই সময় টাকার কোনও গুরুত্ব ছিল না। মানসিক স্বাস্থ্যটাই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আমার মনে হয়েছিল, ভিতরে ভিতরে নিজেকে শেষ করে ফেলছি। যে কারণে সব ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিলাম।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *