Gurugram: শেষকৃত্যের পরদিনই হাজির ‘মৃত’ ব্যক্তি, ভিরমি খাওয়ার জোগাড় পরিবারের – Bengali News | Man found ‘murdered’, ‘cremated’ by family, he returns home next day in Gurugram
গুরুগ্রাম: আচমকা বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিলেন এক ব্যক্তি। চারিদিকে খুঁজেও পরিবারের লোকজন তাঁকে পাননি। একটি মৃতদেহ উদ্ধারের পর ডেকে পাঠিয়েছিল পুলিশ। ওই মৃতদেহের মাথা নৃংশসভাবে কাটা হয়েছিল। একেবারে চেনা যাচ্ছিল না। তবে কয়েকটি চিহ্ন দেখে ওই ব্যক্তির পরিবারের লোকজন জানান, মৃতদেহটি নিখোঁজ ওই ব্যক্তির। দেহ পাওয়ার পর শেষকৃত্যও সম্পন্ন হয়। কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিজনরা। পরদিনই ভূত দেখার মতো চমকে ওঠেন সবাই। যাঁর শেষকৃত্য একদিন আগে করা হয়েছে, তিনি একেবারে সামনে দাঁড়িয়ে। ঘটনাটি হরিয়ানার গুরুগ্রামের। পুলিশ জানিয়েছে, পরিবারের লোকজন দেহ শনাক্ত করতে ভুল করেছেন। এখন যাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়েছে, তাঁর পরিজনদের খুঁজতে নেমেছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, বছর সাতচল্লিশের পূজন প্রসাদ স্ত্রী ও ৩ সন্তানকে নিয়ে মহম্মদপুর ঝারসা গ্রামে থাকেন। এক সপ্তাহ বাড়ি ফেরেননি তিনি। তাঁর পুত্র সন্দীপ কুমার গত ১ সেপ্টেম্বর নিখোঁজ ডায়েরি করেন। এদিকে, গত ২৮ অগস্ট একটি পরিত্যক্ত গুদামের কাছে পুলিশ একটি কাটা মাথা-সহ মৃতদেহ উদ্ধার করেছিল। দেখে স্পষ্ট বোঝা যায়, নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে। পুলিশ সন্দীপ কুমারকে ওই মৃতদেহের বিষয়ে জানায়।
সন্দীপ ও তাঁর পরিবারের অন্য সদস্যরা মর্গে পৌঁছন। সন্দীপ মৃতদেহের ডান পায়ে আঘাতের চিহ্ন দেখে জানান, মৃতদেহটি তাঁর বাবার। পুলিশ জানিয়েছে, সন্দীপ বলেন, মৃতদেহের পোশাক তাঁর বাবার পোশাকের মতোই। এরপরই মৃতদেহ সন্দীপদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। তাঁরা শেষকৃত্যও সম্পন্ন করেন।
পরদিন যমুনা নদীতে চিতাভস্ম বিসর্জন করতে যাচ্ছিলেন পূজনের সন্তানরা। তখন তাঁদের মামা রাহুল প্রসাদ ফোন করেন। তিনি জানান, পূজনকে তিনি দেখেছেন। এরপরই রাহুল পূজনকে নিয়ে বাড়ি ফেরেন। তাঁকে দেখে সবাই চমকে ওঠেন।
পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদেহ শনাক্ত করতে ভুল করেছেন পূজনের আত্মীয়রা। তবে নিয়ম মেনে মৃত ব্যক্তির ডিএনএ সংরক্ষণ করা হয়েছে। এখন মৃত ব্যক্তির পরিচয় জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।