USA, Greenland: গ্রিনল্যান্ডকে ‘ডিজিটাল বন্দি’ করার ছক, ট্রাম্প এজেন্টদের গ্রেফতারে ক্ষুব্ধ ডেনমার্ক – Bengali News | Us tells denmark to calm down over alleged greenland influence operation
গত ২৭ অগস্ট গ্রিনল্যান্ডে তিন মার্কিন নাগরিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, তাঁরা নির্বাচিত সরকারের বিরুদ্ধে মানুষকে উসকানি দিচ্ছিলেন। কিন্তু এখানেই শেষ নয়। ডেনমার্কের দাবি, মার্কিন এজেন্টরা গ্রিনল্যান্ড সরকারের শীর্ষ কর্তাদের ডিজিটাল অ্যারেস্ট করার ছক কষেছিল। পরিকল্পনা ছিল, প্রধানমন্ত্রী ও নিরাপত্তা উপদেষ্টা-সহ মোট ১৬ জনকে একই সময়ে ডিজিটালি বন্দি করা হবে। সেই সময় ত্রাতা হিসাবে হাজির হত আমেরিকা। কিন্তু তিন এজেন্ট গ্রেফতার হওয়ায় চক্রান্ত ভেস্তে যায়।
এই ঘটনার পর থেকেই ডেনমার্ক ক্ষুব্ধ। দু-দিনে দু-বার মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে তলব করে কড়া বার্তা দিয়েছে দেশটির নিরাপত্তা উপদেষ্টা। তবে আমেরিকা বলছে, ‘কাম ডাউন, ডুড! অত উত্তেজিত হওয়ার কিছু নেই।’
গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের আগ্রহ অবশ্য নতুন নয়। নির্বাচনী প্রচারে বারবারই তিনি বলেছিলেন, গ্রিনল্যান্ড কিনতে চান। প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর ডেনমার্ককেও সরাসরি প্রস্তাব দেন। এমনকি মার্কিন কংগ্রেসে ‘মেক গ্রিনল্যান্ড গ্রেট এগেন বিল’ পর্যন্ত পেশ হয়েছিল, যেখানে প্রেসিডেন্টকে গ্রিনল্যান্ড কেনার অনুমতি দেওয়া হয়। গ্রিনল্যান্ড যদিও ডেনমার্কের অধীনে, তবে এটি একটি স্বশাসিত অঞ্চল। আলাদা প্রধানমন্ত্রী আছেন। চাইলে রেফারেন্ডামের মাধ্যমে তারা আমেরিকার অংশ হতে পারে। তবে শর্ত, ডেনমার্ককে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। ইতিহাসেও নজির আছে, ১৮০৩ সালে ফ্রান্স থেকে লুইজিয়ানা, ১৮৬৭ সালে রাশিয়া থেকে আলাস্কা, আর ১৯১৭ সালে ডেনমার্ক থেকেই ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ কিনেছিল আমেরিকা।
এটা বুঝতে আর কারও বাকি নেই যে, খনিজ সম্পদের অফুরন্ত ভাণ্ডারের জন্যই গ্রিনল্যান্ডের প্রতি এতটা আগ্রহী ট্রাম্প। তবে অভিযোগ উঠছে, মুখে চুক্তির আশ্বাস দিলেও গ্রিনল্যান্ড সরকার আসলে তাঁকে ঘুরিয়ে রাখছে। তাই কী ধৈর্য্য হারিয়ে এবার গোপনে এজেন্ট লাগালেন ট্রাম্প?