Explained: ট্রাম্পের পাখা হয় 'মরিবার' তরে! - Bengali News | In Depth: Narendra Modi, Vladimir Putin and Xi Jinping send Donald Trump a pointed message - 24 Ghanta Bangla News
Home

Explained: ট্রাম্পের পাখা হয় ‘মরিবার’ তরে! – Bengali News | In Depth: Narendra Modi, Vladimir Putin and Xi Jinping send Donald Trump a pointed message

Spread the love

আন্তর্জাতিক মঞ্চে ‘দাদাগিরি’ শেষ আমেরিকার?Image Credit: TV9 Bangla

কলকাতা: ‘বন্ধু’। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে এই বলেই সম্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ট্রাম্প দ্বিতীয়বার আমেরিকার মসনদে বসার পর বিশ্বের যেসব রাষ্ট্রনেতা সবার আগে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম ভারতের প্রধানমন্ত্রী। ট্রাম্পের শপথগ্রহণে নিজে যেতে পারেননি মোদী। কিন্তু, ভারতের প্রতিনিধি হিসেবে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকে পাঠিয়েছিলেন। মোদী যখন আমেরিকার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে পদক্ষেপ করছেন, তখন গত কয়েকমাসে ট্রাম্পের একের পর এক আলটপকা মন্তব্যে দুই দেশের কূটনৈতিক টানাপোড়েন বেড়েছে। এমনকি, রাশিয়ার কাছ থেকে ভারত তেল কেনা বন্ধ না করায় আমেরিকায় ভারতীয় পণ্যে শুল্ক ৫০ শতাংশ করে দিয়েছেন ট্রাম্প। তার জবাবে মোদী বুঝিয়ে দিয়েছেন, তাঁর কাছে দেশের স্বার্থ সবার আগে। ভারত-পাকিস্তানের সংঘর্ষবিরতি নিয়ে ট্রাম্পের দাবি যেমন দৃঢ়ভাবে খারিজ করে দিয়েছেন, তেমনই রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা বন্ধ করেননি। আবার ট্রাম্পের শুল্কের মোকাবিলায় ভারতীয়দের স্বদেশি পণ্য ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন। এর বাইরে আন্তর্জাতিক মঞ্চেও বিশ্বের শক্তিশালী দেশগুলির সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে উদ্যোগী হয়েছেন। চিনের তিয়ানজিনে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (SCO) সম্মেলনে একসঙ্গে দেখা গিয়েছে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং মোদীকে। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কূটনৈতিক চালে আন্তর্জাতিক মঞ্চে কি একঘরে হয়ে পড়ছেন ট্রাম্প? মোদীর দৃঢ় বার্তা বুঝে কি এবার সুর নরম করবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট?

আমেরিকার মসনদে দ্বিতীয়বার ট্রাম্প ও ওয়াশিংটনে মোদী-

চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি দ্বিতীয়বার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন ট্রাম্প। তাঁর সেই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে, বিশ্বের যেসব রাষ্ট্রনেতা আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন, তার মধ্যে অন্যতম মোদী। তবে অন্য কর্মসূচি থাকায় মার্কিন প্রেসিডেন্টের শপথ অনুষ্ঠানে যেতে পারেননি ভারতের প্রধানমন্ত্রী। ভারতের প্রতিনিধি হিসেবে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর গিয়েছিলেন।

তবে দ্বিতীয় দফায় হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের একমাস পূর্ণ হওয়ার আগেই ওয়াশিংটনে যান মোদী। ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি তিনি আমেরিকা পৌঁছন। মোদীকে স্বাগত জানাতে হোয়াইট হাউসের বাইরে দাঁড়িয়েছিলেন ট্রাম্প। কোলাকুলির মাধ্যমে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানালেন মোদীকে। দুই ‘বন্ধু’ করমর্দন করলেন। আসলে ট্রাম্প প্রথমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকেই দুই রাষ্ট্রনেতার সম্পর্ক বিশ্বমঞ্চে নজর কাড়ে। ফেব্রুয়ারিতে হোয়াইট হাউসে দুই রাষ্ট্রনেতার বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, শুল্কনীতি-সহ নানা ইস্যুতে আলোচনা হয়েছিল। সেই বৈঠকের পর মোদীর প্রশংসা করে ট্রাম্প বলেছিলেন, “উনি আমার চেয়ে আরও কঠিন এবং ভাল মধ্যস্থতাকারী।”

ট্রাম্পের একের পর এক মন্তব্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন-

গত ২২ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে হামলা চালিয়ে ২৬ জনকে হত্যা করে জঙ্গিরা। বেছে বেছে পরিচয় জেনে হামলা চালানো হয়। এই জঙ্গি হামলার ১৫ দিনের মাথায় জবাব দেয় ভারতীয় সেনা। পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের একাধিক জায়গায় জঙ্গিঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেয়। ভারতীয় সেনার অপারেশন সিঁদুরের পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা বাড়েছে। ভারতীয় সেনা স্পষ্ট করে দেয়, অপারেশন সিঁদুরে শুধুমাত্র জঙ্গিঘাঁটিকে নিশানা করা হয়েছিল। পাকিস্তানের কোনও সাধারণ নাগরিক কিংবা পাক সেনার কোনও পরিকাঠামোতে আঘাত হানা হয়নি। তারপরও পাকিস্তান ভারতীয় সীমান্তে হামলা চালানোর চেষ্টা করে। মুখতোড় জবাব দেয় ভারত। কোণঠাসা পাকিস্তান সংঘর্ষবিরতির জন্য ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ করে। পাকিস্তান সেনার ডিজিএমও ভারতীয় সেনার ডিজিএমও-কে ফোন করেন। তারপরই গত ১০ মে সংঘর্ষবিরতিতে সম্মত হয় দুই দেশ।

এখান থেকেই শুরু হয় ট্রাম্পের একের পর এক আলটপকা মন্তব্য। ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষবিরতিতে সম্মত হওয়ার পরই ট্রাম্প দাবি করেন, ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ থামিয়েছেন তিনি। বাণিজ্যচুক্তি না করার হুঁশিয়ারি দিয়েই তিনি যুদ্ধ থামান বলে দাবি করেন। মোদীর সঙ্গে ফোনে কথাও বলেন বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন।

মোদীর উপর চাপ বাড়াল বিরোধীরা-

ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষবিরতি নিয়ে ট্রাম্পের দাবিকে হাতিয়ার করে আসরে নামতে দেরি করেনি বিরোধীরা। এই নিয়ে প্রশ্নবাণে বিদ্ধ করতে লাগল কেন্দ্রকে। ট্রাম্প কি সত্য কথা বলছেন? প্রশ্ন তুলল বিরোধীরা। প্রধানমন্ত্রীর উপর ক্রমশ চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করতে লাগল। কেন্দ্রের তরফে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়, পাকিস্তানের অনুরোধেই দুই দেশের ডিজিএমও বৈঠকে বসেছিলেন। সেখানেই সংঘর্ষবিরতিতে সম্মত হয় দুই দেশ। এখানে তৃতীয় কোনও দেশের ভূমিকা নেই বলে কেন্দ্রের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়।

কেন্দ্রের এই বার্তার পরও বিরোধীরা প্রশ্ন তুলতে থাকে। সংসদের বাদল অধিবেশনে অপারেশন সিঁদুর নিয়ে আলোচনার সময় লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী দাবি করেন, যদি ট্রাম্প মিথ্যা কথা বলেন, তাহলে সংসদে এসে তা বলুন প্রধানমন্ত্রী।

পরদিন সেই সংসদেই ট্রাম্প ও বিরোধীদের জবাব দেন মোদী। সংসদে দাঁড়িয়ে জানিয়ে দেন, সংঘর্ষবিরতি নিয়ে তৃতীয় কোনও দেশের কাছ থেকে বার্তা আসেনি। তিনি বলেন, “গত ৯ মে (ভারত-পাক সংঘর্ষবিরতির আগের দিন) মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স আমার সঙ্গে ৩-৪ বার যোগাযোগের চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু, আমি সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে বৈঠকে ব্যস্ত থাকায় কথা হয়নি। পরে আমি তাঁকে ফোন করেছিলাম। তখন তিনি আমাকে সতর্ক করেন যে পাকিস্তান বড় আক্রমণ করতে পারে। আমি জানিয়েছিলাম, পাকিস্তান গুলি চালালে আমরা গোলা চালাব।” মোদীর এই বার্তার পরও ট্রাম্প অবশ্য থামেননি। তারপরও একাধিকবার বলেছেন, ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধ তিনিই থামিয়েছেন।

ভারতের উপর অতিরিক্ত শুল্ক ট্রাম্পের, বাড়ল দুই দেশের কূটনৈতিক টানাপোড়েন-

ভারত-পাক সংঘর্ষবিরতি নিয়ে তো আলটপকা মন্তব্য করছিলেনই, এবার রাশিয়া থেকে ভারতের তেল কেনা নিয়েও সরব হন ট্রাম্প। ভারত রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ না করায় আমেরিকায় ভারতীয় পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপানোর কথা ঘোষণা করেন। তাঁর দাবি, “ভারত যে রাশিয়ার থেকে শুধুমাত্র প্রচুর পরিমাণে তেল কিনছে, তা নয়। এই তেল তারা খোলা বাজারে বিক্রি করে বিরাট মুনাফাও লাভ করছে। রাশিয়ার আগ্রাসনে ইউক্রেনে কত মানুষ মরল, তাতে তাদের কিছুই এসে যায় না।”

ট্রাম্পের এই মন্তব্যের কড়া জবাব দেয় ভারত। তথ্য দিয়ে নয়াদিল্লি জানায়, আমেরিকা যারা নিজে এত বেশি উদ্বিগ্ন, তারা নিজেরাই রাশিয়ার কাছ থেকে ইউরেনিয়াম, প্যালাডিয়াম এবং সার কিনছে। এই যুদ্ধের সময়ও সেই আমদানি বন্ধ হয়নি। ভারতের এই বক্তব্যের পর ট্রাম্প যুক্তি দেন, এই নিয়ে তিনি কিছু জানেন না। তাঁকে দেখতে হবে। তবে ভারতের তথ্যকে সমর্থন জানিয়ে আমেরিকার দ্বিচারিতার মুখোশ খুলে দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন। আলাস্কায় ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের পর পুতিন বলেন, “আমেরিকায় নতুন প্রশাসন ক্ষমতায় আসার পর দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বেড়েছে। এটা খুবই প্রতীকী। দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ২০ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছে।” ট্রাম্প দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসেছেন জানুয়ারিতে। আর রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ চলছে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে। ফলে ট্রাম্প যে ‘দাদাগিরি’ চালানোর জন্যই শুল্ক বাড়ানোর হুঁশিয়ারি দেন, তা স্পষ্ট বলে কূটনৈতিক মহলের বক্তব্য।

চাপের কাছে মাথা নত নয়-

আমেরিকায় ভারতীয় পণ্যে শুল্ক ৫০ শতাংশ করেছেন ট্রাম্প। কিন্তু, কোনও চাপের কাছে ভারত যে মাথা নত করবে না, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। কয়েকদিন আগে গুজরাটে এক সভায় ট্রাম্পের নাম না করেই তিনি বলেন, “যতই চাপ আসুক না কেন, আমরা তার মোকাবিলা করার জন্য শক্তিবৃদ্ধি করে যাব। আমরা আত্মনির্ভর ভারতের সংকল্প নিয়েছিলাম। সেই সংকল্পের পথে আমরা অনেক দূর অগ্রসর হয়েছি।” একইসঙ্গে তিনি জানিয়ে দেন, “মোদীর কাছে কৃষক, গবাদি পশুপালক এবং ক্ষুদ্র শিল্পের স্বার্থ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে কোনও আপস করা হবে না।”

আন্তর্জাতিক মঞ্চেও নতুন বার্তা ভারতের-

একদিকে যখন ট্রাম্পকে বার্তা দিয়েছেন, তেমনই আন্তর্জাতিক মঞ্চেও রাশিয়া, চিনের সঙ্গে মিলে নতুন ‘শক্তি’-র উদ্ভাবনে নতুন ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। বছর পাঁচেক আগে গালওয়ানে প্রকৃত সীমান্তরেখায় ভারত ও চিনের সেনাবাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষের পর দুই দেশের কূটনৈতিক টানাপোড়েন বেড়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতে চিনের সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় করতে উদ্যোগী হয়েছেন মোদী। সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন (SCO) সম্মেলনে যোগ দিতে সাত বছর পর তিনি চিনে যান। তিয়ানজিনে পা রাখার আগে জাপান থেকেই চিনকে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে বার্তা দিয়েছিলেন মোদী। জাপানের একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “বিশ্বের দুটি সর্ববৃহৎ দেশ, দুই প্রতিবেশীর স্থিতিশীল ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শান্তি ও সমৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।”

এরপর তিয়ানজিনে জিনপিংয়ের সঙ্গে আলাদা করে বৈঠক করেন মোদী। ১ ঘণ্টা বৈঠক হয় দুই রাষ্ট্রনেতার। সেই বৈঠকের পর মোদী বলেন, “আমাদের পারস্পরিক সম্পর্ক ও সংহতির উপর ভারত এবং চিনের ২৮০ কোটি মানুষের স্বার্থ জড়িয়ে রয়েছে। এই সম্পর্কে সারা পৃথিবীর কল্যাণ হবে। পারস্পরিক বিশ্বাস, সম্মান এবং সংবেদনশীলতার ভিত্তিতে আমরা এই সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।”

ভারতের উপর ট্রাম্প যেমন অতিরিক্ত শুল্ক চাপিয়েছেন, তেমনই আমেরিকা ও চিনের মধ্যেও শুল্ক নিয়ে টানাপোড়েন চলছে। এই আবহে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে দৃঢ় করতে আগ্রহী চিনও। মোদীর সঙ্গে বৈঠকের পর শি জিনপিংও দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার কথা বলেন। তিনি বলেন, ভারত ও চিন বিশ্বের সবথেকে জনবহুল দুই দেশ এবং গ্লোবাল সাউথের অংশ। ‘ড্রাগন ও হাতি’কে একসঙ্গে আসতে অনুরোধ করেন তিনি।

SCO সম্মেলনের ফাঁকে শি জিনপিংয়ের পাশাপাশি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গেও আলাদা করে বৈঠক করেন মোদী। এমনকি, মোদীর গাড়িতে চেপেই পুতিনকে হোটেলে যেতে দেখা যায়। দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধ-সহ নানা ইস্যুতে আলোচনা হয় মোদী-পুতিনের। মোদীকে ‘ঘনিষ্ঠ বন্ধু’ বলে মন্তব্য করেন পুতিন। কূটনৈতিক মহল বলছে, SCO সম্মেলনে যখন তিন রাষ্ট্রনেতাকে কাছাকাছি আসতে দেখা গিয়েছে, সেখানে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফকে দূরে দূরেই থাকতে দেখা গিয়েছে। যার স্পষ্ট ইঙ্গিত, তিন শক্তিধর দেশ কাছাকাছি আসছে। আন্তর্জাতিক মঞ্চে নতুন শক্তির আর্বিভাবের স্পষ্ট বার্তা যেন দেখা গেল তিয়ানজিনে। আর এই নতুন শক্তির কাছে কি আমেরিকার ‘দাদাগিরি’ শেষ হবে? বিশ্বমঞ্চে কি ট্রাম্পকেই একঘরে হয়ে যেতে হবে? উত্তরের জন্য হয়তো আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *