Healthy Lifestyle: আগের দিনের বেঁচে থাকা পিৎজা কী ভাবে খেলে তা ক্ষতিকর নয় জানেন? – Bengali News | How to eat yesterday’s left over pizza for your good health
বন্ধুদের সঙ্গে মজার আড্ডা হোক বা স্লিপওভার। এই ধরনের পার্টিতে সঙ্গে পিৎজা না হলে চলে বলুন? কিন্তু পিৎজা অর্ডার করার সময় একদম মেপে করাটা সম্ভব হয়না। তাই কিছু থেকেই যায়। অনেকেই সেই পিৎজা ফেলে না দিয়ে পরের দিন ফের গরম করে খেয়ে নেন। প্রশ্ন হল এই অভ্যাস কি আদৌ ভাল? শরীরে কী প্রভাব পড়ে জানেন?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন পিৎজার মূল উপাদান ময়দা, যা সহজপাচ্য স্টার্চে সমৃদ্ধ। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়িয়ে দেয়। নিয়মিত পিৎজা খাওয়ার ফলে স্থূলতা, ইনসুলিন প্রতিরোধ এবং কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইডের মতো লিপিডের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে।
সকালে অবশিষ্ট পিৎজা খেলে কী হয়?
অধিকাংশ পিৎজা ময়দার ক্রাস্ট, প্রক্রিয়াজাত মাংস এবং প্রচুর পরিমাণে চিজ দিয়ে তৈরি। যা কার্বোহাইড্রেট, স্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং সোডিয়ামে ভরপুর।
সকালে খালি পেটে এগুলো খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বৃদ্ধি পায়, আবার হঠাৎ কমেও যায়। এই ওঠানামার ফলে শরীরে অলসভাব, বিরক্তি এবং খুব দ্রুত খিদে পাওয়ার মতো নানা প্রভাব দেখা যায়। ডায়াবেটিস বা ইনসুলিন প্রতিরোধে ভোগা ব্যক্তিদের জন্য এই ধরনের খাবার রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। যা বিশেষভাবে ক্ষতিকর এবং দিনের শুরুতেই ইনসুলিন নিয়ন্ত্রণে বাড়তি চাপ ফেলে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন অবশিষ্ট পিৎজা সংরক্ষেণের ক্ষেত্রে সাবধান হতে হবে। বাইরে রেখে না দিয়ে ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে হবে। আর্দ্র আবহাওয়ায় বাইরে রাখা পিৎজায় ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে, যা সংক্রমণের কারণ হতে পারে। তাছাড়া, স্টার্চযুক্ত খাবার যেমন পিৎজা ফ্রিজে রাখলে রেজিস্ট্যান্টস স্টার্চ তৈরি হয়।
রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ ফাইবারের মতো কাজ করে এবং সদ্য তৈরি পিৎজার তুলনায় রক্তে শর্করার বৃদ্ধি কম ঘটায়। এই স্টার্চ হজমের এনজাইম দ্বারা ভাঙা যায় না। এমনকি আবার গরম করলেও এই রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ কমে যায় না।