সাড়ে ৩ লাখ টাকার বিল বাকি, কেটে দেওয়া হল বিজেপি বিধায়কের বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ - 24 Ghanta Bangla News
Home

সাড়ে ৩ লাখ টাকার বিল বাকি, কেটে দেওয়া হল বিজেপি বিধায়কের বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ

Spread the love

প্রচুর অঙ্কের বিদ্যুৎ বিল বকেয়া বিজেপি বিধায়কের। সেই বিল পরিশোধ না করায় বিজেপি বিধায়ক স্বপন মজুমদারের বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দিল দফতর। অভিযোগ, বিধায়কের বাড়িতে প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ টাকা বিল বকেয়া ছিল । ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে তৃণমূল-বিজেপি রাজনৈতিক তরজা।

আরও পড়ুন: চাষ না করেই এসেছে বিদ্যুতের বিল, দুয়ারে সরকারে মুকুব ২৪ লাখ টাকা

বনগাঁ দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক স্বপন মজুমদারের বাড়ি পাল্লা এলাকায়। জানা গিয়েছে, ওই বাড়িতে একাধিক মিটার থাকলেও তাঁর ভাই জয়দেব মজুমদারের নামে থাকা একটি মিটারে কয়েক মাস ধরে প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ টাকা বিল জমে ছিল। অভিযোগ, সেই বিল শোধ করা হয়নি। শেষ পর্যন্ত মঙ্গলবার বিদ্যুৎ দফতর সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। আর সেই খবর ছড়াতেই এলাকাজুড়ে চর্চা শুরু হয়। শাসক দলের পক্ষ থেকে এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে বিজেপিকে কটাক্ষ করা হচ্ছে। বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার তৃণমূল নেতা শুভজিৎ দাস বলেন, একজন জনপ্রতিনিধির পরিবারের নামে এত বকেয়া থেকে গেল এটাই প্রমাণ করে বিজেপির নেতাদের মানসিকতা। যাঁরা সাধারণ মানুষকে আইন মানতে বলেন, তাঁরাই বিদ্যুৎ চুরির অভিযোগে জড়াচ্ছেন। সমাজের জন্য এরা লজ্জার। তৃণমূলের দাবি, রাজ্য সরকার যেন এই ঘটনার বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়।

অন্যদিকে বিজেপি বিধায়ক স্বপন মজুমদার পুরো অভিযোগই অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, ওই বাড়িতে তিনটি মিটার রয়েছে। তার মধ্যে জয়দেব মজুমদারের নামে থাকা মিটারে মাসের পর মাস ধরে অস্বাভাবিক বিল আসছিল। বারবার বিদ্যুৎ দফতরে অভিযোগ করার পরেও কোনও সমাধান হয়নি। অভিযোগ করেছি। তাই অবশেষে নিজেরাই সংযোগ বিচ্ছিন্নের আবেদন জানিয়েছিলেন। তিনি আরও বলেন, বিদ্যুৎ দফতরের বেনিয়ম এবং বাড়তি বিল আদায়ের খেলায় সাধারণ মানুষও নাজেহাল। রাজ্য সরকার পরিকল্পিতভাবে এভাবে বিজেপি নেতাদের বদনাম করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ তাঁর। পাশাপাশি তিনি হুঁশিয়ারি দেন, যারা তাঁর নামে বিদ্যুৎ চুরির অভিযোগ করছে, তাঁদের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করবেন। এই ঘটনাকে ঘিরে বনগাঁয় এখন দুই পক্ষের দড়ি টানাটানি স্পষ্ট। শাসক দল তৃণমূলের দাবি, বিজেপি বিধায়কের পরিবার বিদ্যুৎ বিল বাঁচাতে ইচ্ছাকৃতভাবে টাকা দেননি। অপরদিকে বিধায়কের বক্তব্য, এটি সম্পূর্ণ প্রশাসনিক অনিয়মের ফল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *