Jibankroshna Saha: ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেককেও জানিয়েছিলাম’, ছেলে জীবন সম্পর্কে চরম কথা বাবার – Bengali News | Jibankroshna saha ‘I also informed Mamata Banerjee and Abhishek’, father says extreme things about son’s life
ছেলে সম্পর্কে বিস্ফোরক বাবা!Image Credit source: TV9 Bangla
কলকাতা: গুণধর ছেলে জীবনকৃষ্ণ সাহা সম্পর্কে বিস্ফোরক তাঁর বাবা বিশ্বনাথ সাহা! জীবন জামিনে ছাড়া পাওয়ার পর থেকেই তিনি তাঁর নিজের বাড়িতেই ঢুকতে পারতেন না, বিস্ফোরক দাবি তাঁর বাবার। তিনি নিজেই বলছেন, দুর্নীতি করে প্রচুর সম্পত্তি করেছে ছেলে। শ্যালকের নামেও বহু সম্পত্তি কিনে রেখেছে। এজেন্সির তল্লাশি করাই উচিত। এমনটাই দাবি করলেন বিশ্বনাথ। তিনি স্পষ্ট বললেন, “ওর যদি কোনও সাজা না হয়, যা উপদ্রব আমি তো থাকতেই পারব না।”
তিনি বললেন, “যেদিন থেকে জামিন পেয়ে এসেছে, আমি তো বাড়িতে ঢুকতেই পারছি না। থানাকে জানিয়েছি। কিন্তু থানা তো কিছুই করতে পারল না।” TV9 বাংলার এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমার ওপরেই ওর রাগ। ও এখন গন্ডগোলে শুরু করেছে। আমার ওপর মিথ্যা করে একটা পুলিশ কেস শুরু করেছে। ৭.৬.২০২৪ সালে ওই কেস শুরু করে। জামিন নিয়ে আসার পরই কেস দেয়। ওর অভিযোগ, আমি নাকি ওর মায়ের ওপর অত্যাচার করেছিলাম। এই কেসের পর থেকেই আর বাড়িতে ঢুকতে পারি না।” তাঁর বক্তব্য, তিনি এই অভিযোগপত্রের প্রতিলিপি তৃণমূলের শীর্ষস্তরের নেতৃত্ব সুব্রত বক্সীকে দিয়েছেন। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও দিয়েছেন।
তাঁর বক্তব্য, “চাকরি করিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা নিশ্চয়ই ছিল, না হলে লোক ওকে টাকা দেবে কেন! ওর কাছে লোক আসত, যেত, সেটা দেখেছি। ওকে আমি বারণ কী করব, ও মারত না আমাকে!”
জীবনকৃ্ষ্ণের পাশাপাশি তাঁর পিসি মায়া সাহাও ইডি-র নজরে। তাঁরও বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। ইডি-র অনুমান, পিসির নামেই সম্পত্তি কিনতেন জীবন। আর সেই নিয়েও বিস্ফোরক জীবনের বাবা। তিনি বলেন, “বোন একটা মিষ্টির দোকান চালাত। মিষ্টির দোকান চালিয়ে কি ওতো সম্পত্তি করা যায় কখনও? কেবল পিসি নয়, জীবনের শালাও জড়িত!”
এই প্রথম নয়, জীবনকৃষ্ণকে প্রথমবার যখন গ্রেফতার করা হয়েছিল, তখনও ছেলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দাবি করেছিলেন বিশ্বনাথ। জীবনকৃষ্ণ বিশ্বনাথের প্রথম পক্ষের সন্তান। বিশ্বনাথে দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী ও কন্যা সাঁইথিয়ায় থাকেন। ছোট থেকেই বাবা-ছেলের মধ্যে সম্পর্ক ভাল নয় বলেই জানাচ্ছেন প্রতিবেশীরা।