Hyderabad: নৃশংস! স্ত্রীকে কেটে কয়েক টুকরো নদীতে ফেলল স্বামী, তারপর... - Bengali News | Man allegedly kills pregnant wife near Hyderabad, caught while disposing chopped up body - 24 Ghanta Bangla News
Home

Hyderabad: নৃশংস! স্ত্রীকে কেটে কয়েক টুকরো নদীতে ফেলল স্বামী, তারপর… – Bengali News | Man allegedly kills pregnant wife near Hyderabad, caught while disposing chopped up body

Spread the love

স্ত্রীকে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে মহেন্দর রেড্ডিকেImage Credit source: TV9 Telangana

হায়দরাবাদ: গ্রেটার নয়ডায় পণের জন্য গৃহবধূকে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় দেশজুড়ে শোরগোলের মধ্যেই আরও একটি নৃশংস ঘটনা সামনে এল। তেলঙ্গানার হায়দরাবাদে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে খুন করে দেহ টুকুরো টুকরো করার অভিযোগ উঠল স্বামীর বিরুদ্ধে। দেহের কয়েকটি টুকরো নদীতে ফেলে দেন মৃতের স্বামী। কিন্তু, শেষরক্ষা হয়নি। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁর বাড়ি থেকে মৃতের দেহের অংশ পাওয়া গিয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, মৃত যুবতীর নাম স্বাতী। অভিযুক্ত যুবকের নাম মহেন্দর রেড্ডি। বছর একুশের স্বাতী ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। খুনের ঘটনাটি ঘটেছে হায়দরাবাদের বালাজি হিলস এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে,স্বাতী ও মহেন্দরের বাড়ি বিকারাবাদ জেলার কামারেড্ডিগুডায়। তাঁরা প্রেম করে বিয়ে করেন। বিয়ের পর বালাজি হিলসে চলে আসেন। বছর সাতাশের মহেন্দর গাড়ি চালান।

অভিযোগ, গতকাল বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ স্বাতীকে শ্বাসরোধ করে খুন করেন মহেন্দর। এরপর মৃতদেহ কয়েক টুকরো করেন। ছোট ছোট প্লাস্টিক ব্যাগে দেহের টুকরো ভরেন। এরপর তিনবার মুসী নদীতে গিয়ে দেহের টুকরো ফেলে আসেন।

এরপর নিজের বোনকে ফোন করে ডেকে মহেন্দর বলেন, তাঁর স্ত্রীর খোঁজ পাচ্ছেন না। তাঁর বোনের সন্দেহ হয়। তিনি এক আত্মীয়কে ফোন করেন। ওই আত্মীয় এসে মহেন্দরকে থানায় নিয়ে যান। মালকাজগিরি জোনের ডিসিপি পিভি পদ্মজা বলেন, “থানাতেও মহেন্দর দাবি করেন, তাঁর স্ত্রীর খোঁজ পাচ্ছেন না। কিন্তু, জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ভেঙে পড়েন। তখন স্ত্রীকে খুনের কথা স্বীকার করেন।”

পুলিশ জানিয়েছে, ইতিমধ্যে মুসী নদীতে মৃতের মাথা, হাত এবং পা ফেলে এসেছেন মহেন্দর। তাঁর বাড়ি থেকে স্বাতীর মাথাহীন, পা হীন দেহ পাওয়া গিয়েছে। পুলিশ মুসী নদীতে দেহের বাকি অংশের খোঁজ চালাচ্ছে।

স্বাতীর বাবা বলেন, জামাইয়ের সঙ্গে তাঁর ভাল সম্পর্ক ছিল না। তবে তাঁর মেয়ে তাঁকে বলতেন, তাঁরা ভাল আছে। কিন্তু, স্বাতীর বাবার অভিযোগ, মেয়ের উপর জামাই সবসময় অত্যাচার করতেন। তিনি বলেন, “আমার মেয়ে যেমন কষ্ট পেয়েছে মারা গিয়েছে, তেমনই কষ্ট পাওয়া উচিত খুনির।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *