Hooghly News Update: 'জেলে যখন যেতেই হবে, তোকে মেরেই যাব', সত্যি-সত্যিই তাই করলেন স্বামী! - Bengali News | Husband Accused to killed his wife in road hooghly - 24 Ghanta Bangla News
Home

Hooghly News Update: ‘জেলে যখন যেতেই হবে, তোকে মেরেই যাব’, সত্যি-সত্যিই তাই করলেন স্বামী! – Bengali News | Husband Accused to killed his wife in road hooghly

Spread the love

হুগলি: ‘জেলে যখন যেতেই হবে, তোকে মেরেই যাব’,ফোন করে বলেছিল স্বামী। ভয় পেয়ে আত্মীরের বাড়ি চলে যাচ্ছিলেন গৃহবধূ। তবে না, শেষ রক্ষা হল না। রাস্তাতেই তাঁকে পিটিয়ে মারার অভিযোগ উঠল স্বামীর বিরুদ্ধে। ঘটনার পর পলাতক অভিযুক্ত। হুগলির দাদপুর থানার বিলাতপুর এলাকার ঘটনা। মৃতের নাম মনজুরা খাতুন (২৮)। তাঁকেই খুনের হুমকি দিয়েছিল স্বামী। শেষে সত্যি-সত্যিই প্রাণে মেরে ফেলল তাঁকে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সিঙ্গুরের পায়ড়াউড়া গ্রামে বাড়ি রজব আলির।তাঁর স্ত্রী মনজুরা খাতুনের সঙ্গে দাম্পত্য সুখের ছিল না। মনজুরার দাদা শেখ রফিকের অভিযোগ, একবার কয়েকজন বন্ধুকে নিয়ে বোন মারধর করে রজব। সেই সময় তিনি ভদ্রেশ্বরে বাপের বাড়ি চলে যান। দিন পনেরো আগে ভদ্রেশ্বর থানায় বধূ নির্যাতনের একটি মামলা দায়ের হয়।

এরপরই রজব আলি স্ত্রীকে ফোন করে জানায় ঝামেলা মিটিয়ে নিয়ে আবার তারা সংসার করবে। সেই মতো মনজুরা আবার শ্বশুরবাড়িতে চলে যায়। দিন দু’য়েক আগে ভদ্রেশ্বর থানার অন্তর্গত শ্বেতপুর পুলিশ ফাঁড়ি থেকে ফোন করে রজবকে দেখা করতে বলে। এরপর গতকাল রাত ১১ টা নাগাদ তাঁর স্ত্রীকে ফোন করে জানায়, ‘জেলে যখন যেতেই হবে তোকে মেরে তবেই যাব।’

ভয় পেয়ে মহিলা তাঁর দুই সন্তান প্রতিবেশী মহিলাকে নিয়ে হারিট গ্রাম পঞ্চায়েতের জেটে গ্রামে মামার বাড়িতে যাওয়ার জন্য বেরিয়ে পরেন। বিলাতপুরের কাছে তাঁকে ধরে ফেলেন রজব। দুই সন্তানকে তিনি সঙ্গে-সঙ্গে এক বন্ধুকে দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেন। এরপর মনজুরা সেখান থেকে দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাঁকে তাড়া করে ধরে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে মারা হয় বলে অভিযোগ।

মনজুরার সঙ্গে থাকা ওই মহিলা ফোন করে বাপের বাড়ির লোকজনদের খবর দেন।রাতে গিয়ে পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে। দাদপুর থানার পুলিশ খুনের মামলার রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে অভিযুক্ত রজব আলি। মৃতদেহ চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে ময়না তদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *