Ghatal: বন্যা ভুগিয়েছে, এখন 'খেলা' দেখাচ্ছে রাস্তা, অসহায় ঘাটালবাসী - Bengali News | People face problem due to bad condition of road after flood in Ghatal - 24 Ghanta Bangla News
Home

Ghatal: বন্যা ভুগিয়েছে, এখন ‘খেলা’ দেখাচ্ছে রাস্তা, অসহায় ঘাটালবাসী – Bengali News | People face problem due to bad condition of road after flood in Ghatal

Spread the love

বন্যার পর রাস্তার বেহাল দশাImage Credit source: TV9 Bangla

ঘাটাল: বর্ষাকাল এলেই বন্যা-আতঙ্ক। দিনের পর দিন বন্যার জল পেরিয়ে যাতায়াত। এতদিন এভাবে দিন কাটার পর নতুন সমস্যায় জেরবার ঘাটালের মানুষ। বন্যার জল কমতেই বেরিয়ে আসছে একের পর এক রাস্তার কঙ্কালসার চেহারা। ভাঙাচোরা রাস্তা দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে যাতায়াত করতে হচ্ছে ঘাটাল ব্লকের বেশ কয়েকটি গ্রাম পঞ্চায়েতের হাজার হাজার মানুষকে।

বন্যার জলের তলায় দীর্ঘদিন থাকার ফলে ঘাটাল ব্লকের অজবনগর ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের ভাঙাদহ-সহ ঘাটাল শহরে যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ সড়কের রাস্তাগুলি বেহাল হয়ে পড়েছে। অজবনগর ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের ভাঙাদহ এলাকায় বন্যার জলে রাস্তা ভেঙে গিয়েছে। সেই ভাঙা রাস্তার উপর করা হয়েছে মাচা। সেই মাচা দিয়েই চলছে ঝুঁকিপূর্ণভাবে যাতায়াত। ৭-৮ টি গ্রামের স্কুল, কলেজ পড়ুয়া, সাধারণ মানুষ ঝুঁকি নিয়েই যাতায়াত করছেন। একটু এদিক ওদিক হলেই যে কোনও সময় ঘটে যেতে পারে দুর্ঘটনা।

ঝুঁকি নিয়ে চলছে রাস্তা পারাপার

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, “এভাবেই যাতায়াত করছি। এটা ঝুঁকির। বন্যার সময় কষ্ট হয়। এখন রাস্তাও বন্যার জলে খারাপ হয়ে গিয়েছে। আমরা চাই, রাস্তাটা ভাল করে মেরামত করা হোক।”

বেহাল দশা রাস্তার

অজবনগর ১ গ্ৰাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান গোকুল মাইতি বলেন, “প্রাকৃতিক দুর্যোগে হঠাৎ করে হড়পা বানে অনেক রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আধিকারিকরা এসে দেখে গিয়েছেন। দ্রুত রাস্তা মেরামতির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।”

বন্যায় ভেঙেছে রাস্তা

পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলাশাসক খুরশিদ আলি কাদরি বলেন, “সব রাস্তা ঠিক হয়ে যাবে। আমার কাছে অনেকগুলো আবেদন এসেছে যে এখানে রাস্তা করতে হবে কিংবা মেরামত করতে হবে। সেই তালিকা আমি দফতরে পাঠিয়েছি। আশা করি, ওখান থেকে অনুমোদন আসবে। কাজ হয়ে যাবে।” জেলাশাসক রাস্তা মেরামতের আশ্বাস দিলেও কতদিন তা হবে, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *