Fitness Obsession: নোরা ফতেহির মতো চাবুক ফিগার চাই! স্ত্রীর শরীর নিয়ে ছিনিমিনি স্বামীর, দিনের পর দিন জুটত না খাবারও! - Bengali News | Husband Wanted Figure like Nora Fatehi, Woman Alleges Torture by Husband & In Laws in Uttar Pradesh - 24 Ghanta Bangla News
Home

Fitness Obsession: নোরা ফতেহির মতো চাবুক ফিগার চাই! স্ত্রীর শরীর নিয়ে ছিনিমিনি স্বামীর, দিনের পর দিন জুটত না খাবারও! – Bengali News | Husband Wanted Figure like Nora Fatehi, Woman Alleges Torture by Husband & In Laws in Uttar Pradesh

Spread the love

নোরা ফতেহির মতো চেহারা পেতে অত্যাচার।Image Credit source: PTI & Meta AI

লখনউ: দিনে তিন ঘণ্টা শরীরচর্চা করতেই হবে। একদিনও বাদ গেলে জুটত না খাবার। স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যরাই এমন জোরাজুরি, অত্যাচার করতেন। অতিরিক্ত ওজন নয়, এত শারীরিক কসরতের কারণ সম্পূর্ণ অন্য। স্বামী চান, স্ত্রীর চেহারা হোক বলিউড অভিনেত্রী নোরা ফতেহির মতো। সেই কারণেই স্ত্রীর উপরে চলত অত্যাচার। এমনকী, তাঁর চেহারা ধরে রাখার জন্য শারীরিক নির্যাতনও করতেন। জোর করে গর্ভপাতের ওষুধও খাওয়ান স্বামী।

ভয়ঙ্কর ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদে। নির্যাতিতার অভিযোগ, তাঁর স্বামীর চারিত্রিক দোষ রয়েছে। অনলাইনে অশ্লীল ভিডিয়ো দেখেন। স্বামীর স্বপ্ন ছিল, বলিউডের অভিনেত্রী নোরা ফতেহির মতো আকর্ষণীয় চেহারা হবে স্ত্রীর। সেই নেশাতেই স্ত্রীর উপরে শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার শুরু করেন।

সানভি নামক ওই মহিলার দাবি, তাঁর স্বামী শিবম উজ্জ্বল নিজেও ফিটনেস নিয়ে ভীষণ সচেতন। সরকারি স্কুলে ফিজিক্যাল এডুকেশনের শিক্ষক ছিলেন। স্ত্রীকেও ভীষণ জোর করতেন। প্রতিদিন ৩ ঘণ্টা শরীরচর্চা করতেই হত তাঁকে। স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বা ক্লান্তির কারণে যদি  শরীরচর্চা করতে না পারতেন, তাহলে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা দিনের পর দিন তাঁকে খেতে দিতেন না।

জানা গিয়েছে, চলতি বছরের মার্চ মাসেই ধুমধাম করে বিয়ে হয়েছিল তাঁদের। ৭৬ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছিল বিয়েতে। এর মধ্যে ২৪ লক্ষ টাকা দিয়ে একটি স্করপিও গাড়ি ও ১০ লক্ষ টাকা নগদ দেওয়া হয়েছিল পণ বাবদ। এরপরও শ্বশুরবাড়ি থেকে জমি, নগদ টাকার দাবি করা হচ্ছিল।

ওই মহিলার আরও অভিযোগ, স্বামী প্রতিনিয়ত হেনস্থা করতেন। তাঁকে অপমান করে বলতেন যে বিয়ে করে জীবন নষ্ট হয়ে গিয়েছে। তাঁকে বিয়ে না করলে, সে নোরা ফতেহির মতো কাউকে বিয়ে করতে পারত। পণের জন্য হেনস্থা, মারধর করতেন শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা। বাপের বাড়ি থেকে দামি জামাকাপড়, গহনা ও ওভেন আনার জন্য অত্যাচার করা হত। এমনকী জোর করে ওষুধ খাইয়ে মহিলার গর্ভপাতও করা হয়।

সানভির দাবি, গর্ভবতী হওয়ার পর তাঁকে এমন কিছু খাবার দেওয়া হত, যাতে তাঁর স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়। ২০২৫ সালের জুলাই মাসে অতিরিক্ত রক্তপাত ও অসহ্য যন্ত্রণা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেই সময়ই চিকিৎসকরাও জানান, মানসিক ও শারীরিক অত্যাচারের কারণেই তাঁর গর্ভপাত হয়েছিল।

ডিপ্রেশনে ডুবে যান মহিলা। নিজের বাপের বাড়িতে চলে যান। কিন্তু তাতেও মানসিক অত্যাচার থামেনি। ভিডিয়ো কল করেও তাঁকে গালিগালাজ করা হত এবং ডিভোর্স চাওয়া হত। যখন শ্বশুরবাড়ি ফিরে আসেন, তখন তাঁকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। তিনি নিজের বাড়ি থেকে দেওয়া সোনার গহনাগুলি ফেরত চাইলে, তাও দেওয়া হয়নি। শেষে বাধ্য হয়ে পুলিশে অভিযোগ জানান ওই মহিলা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *