Jalpaiguri: 'সরকারি কুয়ো চাইলেও ঘুষ দিতে হয়', ক্ষোভ উগরে দিলেন সন্তানহারা বাবা - Bengali News | 'We did not get house in awas yojana', says man after his two children died after wall collapsed on them in Jalpaiguri - 24 Ghanta Bangla News
Home

Jalpaiguri: ‘সরকারি কুয়ো চাইলেও ঘুষ দিতে হয়’, ক্ষোভ উগরে দিলেন সন্তানহারা বাবা – Bengali News | ‘We did not get house in awas yojana’, says man after his two children died after wall collapsed on them in Jalpaiguri

Spread the love

ক্ষোভ উগরে দিলেন সন্তানহারা সঞ্জিত মোহন্ত

রাজগঞ্জ: সরকারি খাস একফালি জমিতে টিনের ঘর। জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জের পাঘালুপাড়ায় ওই ঘরেই তিন সন্তান নিয়ে বাস করতেন সঞ্জিত মোহন্ত ও তাঁর স্ত্রী রিঙ্কি। গতকাল রাতে প্রতিবেশীর বাড়ির মাটির দেওয়াল তাঁদের ঘরে ভেঙে পড়ে। দুই সন্তান ঘুমের মধ্যেই প্রাণ হারায়। এদিন কাঁদতে কাঁদতেই একরাশ ক্ষোভ উগরে দিলেন সন্তানহারা সঞ্জিত। বললেন, আবাসের ঘরের জন্য অনেকদিন আগেই আবেদন জানিয়েছেন। কিন্তু, ঘর পাননি। পাকা ঘর থাকলে আজ তাঁর সন্তানদের মরতে হত না।

গতকাল বড় মেয়ে বাড়িতে ছিল না। তিন বছরের ছোট মেয়ে ও বছর দেড়েকের ছেলেকে নিয়ে সবে ঘুমোতে গিয়েছিলেন রিঙ্কি। রাত দশটা নাগাদ পাশের বাড়ির মাটির দেওয়াল প্রবল বৃষ্টির জেরে হুড়মুড়িয়ে পড়ে তাদের টিনের ঘরে। মুহূর্তে শোওয়ার ঘর ভেঙে চুরমার। ঘুমন্ত অবস্থাতেই দেওয়াল চাপা পড়ে মৃত্যু হয় দুই ফুটফুটে সন্তানের। দুই সন্তান হারিয়ে এখন হাহাকার হতভাগ্য পরিবারের।

লোডিং আনলোডিংয়ের কাজ করেন সঞ্জিত। দুই সন্তানকে হারিয়ে এদিন তিনি বলেন, “রাজনীতি বুঝি না। কিন্তু, সরকারি প্রকল্পের জন্য টাকা দিতে হয়। একটা বাথরুমের জন্যও ১০০০-১২০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। একটা কুয়োর জন্যও ঘুষ দিতে হয়। ঘরের জন্য আবেদন করেছি। কিন্তু পাইনি। পাকা ঘর থাকলে আমার ২ সন্তানকে হারাতাম না।

অন্যদিকে, দুই শিশুর মৃত্য ঘিরে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়ে গিয়েছে। স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক খগেশ্বর রায় বলেন, “কেন্দ্র টাকা দিচ্ছে না বলেই ঘর মিলছে না।” অন্যদিকে এদিন সন্তানহারা দম্পতির সঙ্গে দেখা করতে এলাকায় যান বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। তিনি বলেন, “দুর্নীতির কারণে কেন্দ্র টাকা দিচ্ছে না। কিন্তু রাজ্য তো বাংলার আবাস যোজনা চালু করেছে বলে জানিয়েছে। তাহলে সেই প্রকল্পে কেন টাকা পেল না ওই পরিবার?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *