ছাত্রকে মারধরের প্রতিবাদ করায় প্রধান শিক্ষকের হাতে আক্রান্ত মা, থানায় অভিযোগ - 24 Ghanta Bangla News
Home

ছাত্রকে মারধরের প্রতিবাদ করায় প্রধান শিক্ষকের হাতে আক্রান্ত মা, থানায় অভিযোগ

Spread the love

পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া-১ ব্লকে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। অভিযোগ, স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শুধু পড়ুয়াকে নিয়মিত মারধরই করেন না, প্রতিবাদ জানাতে গেলে ওই ছাত্রের মাকেও বেধড়ক প্রহার করেন। ঘটনায় আহত মহিলাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। আর এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় তীব্র উত্তেজনা দেখা দেয়।

আরও পড়ুন: ৪০০ টাকা চুরির অপবাদে ছাত্রকে বেধড়ক মার শিক্ষকের, মারে ছাল উঠে গেল পিঠের

ঘটনাটি ঘটেছে কাটোয়া-১ ব্লকের আলমপুর অঞ্চলের অর্জুনডিহি অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। বিদ্যালয়টি দাঁইহাট চক্রের অন্তর্গত। প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়া সংখ্যা প্রায় ৩৬০। শিক্ষক-শিক্ষিকার সংখ্যা মোট আটজন। অভিযোগকারী সালেহার বিবি জানান, তাঁর ছেলে আহমেদ আলি শেখ চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ে। প্রায় প্রতিদিনই প্রধান শিক্ষক আলাউদ্দিন শেখ তাঁকে শারীরিকভাবে শাস্তি দেন। ভয় পেয়ে ছেলে স্কুলে যেতে চাইছিল না। শুক্রবার দুপুরে বিদ্যালয়ে ২২ শ্রাবণ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলছিল। সালেহার অভিযোগ, দুপুর ১২টা নাগাদ তিনি ছেলেকে কেন নিয়মিত মারধর করা হচ্ছে তা জানতে প্রধান শিক্ষকের কাছে যান। তখনই প্রধান শিক্ষক রাগের বশে তাঁকে অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করেন এবং চুলের মুঠি ধরে কিল, চড় ও ঘুঁষি মারেন। এর ফলে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাঁর ভাই মোতলেব শেখ তাঁকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান।

মোতলেব শেখের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষক প্রতিদিন লাঠি দিয়ে ছাত্রকে মারছেন। কথা বলতে গেলে তাঁর বোনকেও মারধর করা হয়েছে। ঘটনায় পুলিশে লিখিত অভিযোগ করেছি। এই ঘটনায় কাটোয়া থানায় অভিযোগ জমা পড়েছে। অন্যদিকে, প্রধান শিক্ষক আলাউদ্দিন শেখ সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি জানান, ওই ছাত্রের সঙ্গে সহপাঠীর ঝগড়া হয়েছিল। তিনি শুধু বকাবকি করেছেন। পরে তার মা এসে স্কুলে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করেন। রাগের মাথায় হাতে থাকা লাঠি দিয়ে তাঁকে স্কুল থেকে বের করে দেন। কিন্তু মারধরের অভিযোগ মিথ্যা। পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল শিক্ষা সেলের কার্যকরী সভাপতি সঞ্জয় সাহা বলেন, এমন ঘটনা যদি ঘটে থাকে, তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। তদন্ত হওয়া উচিত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *