‘২৬র রণদামামা বাজতেই BJPর ৪ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি নির্বাচন শেষ, এলেন কারা?, বাংলার মুখ
চারটি সাংগঠনিক জেলার নতুন সভাপতির নাম ঘোষণা করল রাজ্য বিজেপি। এই রাজ্যে বিজেপির মোট ৪৩টি সাংগঠনিক জেলার মধ্যে ৩৯টি জেলার সভাপতির নাম আগেই ঘোষণা হয়ে গিয়েছিল। এর পর ঘোষণা করা হয় রাজ্য সভাপতির নাম। শমীকের নির্বাচনের পর বাকি চারটি জেলা দার্জিলিং, ব্যারাকপুর, বনগাঁ ও ঘাটালের সভাপতি নির্বাচন করা হল।
চারটি জেলার মধ্যে তিনটিতেই নতুন সভাপতিকে ক্ষমতায় আনা হয়েছে। দার্জিলিঙের সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন সঞ্জীব তামাং। ব্যারাকপুরে দায়িত্বে রয়েছেন তাপস ঘোষ। বনগাঁয় সাংগঠনিক জেলার দায়িত্বে বিকাশ ঘোষ। ঘাটালে সাংগঠনিক জেলা সভাপতি ছিলেন তন্ময় দাস। আগামীবারের জন্যও তাঁকেই মনোনীত করা হয়েছে এই পদে।
ঘাটালে কেন আগেরজনই
আনন্দবাজারের প্রতিবেদন অনুসারে, ঘাটালের পূর্ব সভাপতি তন্ময় দাস বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর অনুগামী হিসেবে দলের অন্দরে সুপরিচিত। ফলে আগেরবারের মতো এবারও তাঁর উপর আস্থা রেখেছেন বিরোধী দলনেতা। সে কারণে ঘাটালের সাংগঠনিক জেলা সভাপতি পদে এই বছর কোন পরিবর্তন করা হল না। আগামী মেয়াদ না ফুরনো পর্যন্ত তন্ময় থাকবেন সাংগঠনিক জেলা সভাপতি।
আরও পড়ুন – Mamata On SIR: ‘আমার দেহ পেরিয়ে যেতে হবে!’ SIR নিয়ে গর্জন দিদির, ভাষা আন্দোলনের মঞ্চে এক হওয়ার ডাক
ব্যারাকপুর কাহিনি
ব্যারাকপুরের সাংগঠনিক সভাপতি তাপস যুব মোর্চার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ। তবে এর পাশাপাশি তিনি বিজেপির প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক সুব্রত চট্টোপাধ্যায়ের স্নেহধন্য হিসেবেও পরিচিত। অন্যদিকে সুকান্ত মজুমদারের প্রিয় হওয়ায় ও অর্জুন সিংয়ের আপত্তি না থাকায় আগামী মেয়াদে নিরৃভাচিত করা হল তাঁকেই।
দার্জিলিংয়ের সভাপতি নির্বাচন
বিজেপি দলীয় সূত্রে খবর, সাংগঠনিক জেলা সভাপতি নির্বাচনের ব্যাপারে রাজু বিস্তা ও শান্তনু ঠাকুরের মতামতকেই বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। দার্জিলিংয়ে বিজেপির গোড়া শক্ত করার ব্যাপারে বিশেষ ভূমিকা ছিল সাংসদ রাজু বিস্তার। অন্যান্য দলগুলির সঙ্গে সমঝোতা বজায় রেখে বিজেপিকে দার্জিলিংয়ে বিস্তৃত করেছেন রাজু। তাই সাংগঠনিক জেলার সভাপতি নির্বাচনের ক্ষেত্রেও তাঁর পছন্দকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন – Rishabh Pant: দুর্যোগে উত্তরকাশী… ‘দেবভূমি’র ভূমিপুত্র পন্তের কোন বার্তা? মন ছুঁলেন আরেক কারণে
বনগাঁয় মতুয়া প্রভাব
বনগাঁয় মতুয়া মহাসংঘের প্রধান তথা স্থানীয় সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের মতামতকে বিজেপি নেতৃত্বে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে বলে খবর। নতুন সভাপতি বিকাশ শান্তনুর ঘনিষ্ঠ অনুগামী বলেই পরিচিত দলীয় মহলে। এছাড়াও মতুয়া ভোট ধরে রাখার কৌশল হিসেবেও শান্তনু ঠাকুরের মত গুরুত্ব পেয়েছে শীর্ষ মহলে। ফলে বিকাশ ঘোষই আগামী মেয়াদে সভাপতি হচ্ছেন।