শুভেন্দুর মিছিলেই ফের! কোচবিহারের পর তৃণমূল-বিজেপির মারামারিতে উত্তপ্ত বারাসত, বাংলার মুখ
প্রথমে কোচবিহার, এবার বারাসত। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দুর মিছিল ঘিরে ফের উত্তেজনা। এবারেও অভিযোগ উঠল তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে। যদিও তৃণমূল সমর্থকদের বক্তব্য তাঁদের উত্যক্ত করা হয়েছিল প্রথমে। এমনকি মারধরও করা হয়। দুপক্ষেরই বেশ কয়েকজন জখম হয়েছেন এই ঘটনায়।
ঠিক কী ঘটেছিল বারাসতে?
বুধবার বারাসতে শুভেন্দুর নেতৃত্বে কন্যাসুরক্ষা যাত্রা ছিল। এই যাত্রা চাপাডালি মোড়ে পৌঁছতেই উত্তেজনার সূত্রপাত। ওই অঞ্চলে তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের একটি আঞ্চলিক অফিস রয়েছে। বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ, মিছিল সেখানে পৌঁছাতেই ঘরের ভিতর বসে থাকা কিছু তৃণমূল কর্মীসমর্থক এগিয়ে এসে শুভেন্দুকে উদ্দেশ্য করে অপশব্দ বলতে থাকে। ওই অপমন্তব্যকে ঘিরেই দুই দলের মধ্যে হাতাহাতি মারামারি লেগে যায়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে খুব শিগগির। এতটাই উত্তপ্ত হয়ে যায় যে পরে পুলিশকে সামলাতে গিয়ে বেগ পেতে হয়।
আরও পড়ুন – ‘২৬র রণদামামা বাজতেই BJPর ৪ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি নির্বাচন শেষ, এলেন কারা?
দুপক্ষের দোষারোপ
এই ঘটনায় দুই পক্ষই দুই পক্ষের দিকে আঙুল তুলেছে অবশ্য। বিজেপির দাবি, শুভেন্দুকে উদ্দেশ্য খারাপ কথা বলার প্রত্যুত্তরেই তারা আক্রমণাত্মক হয়ে উঠেছিল। কিন্তু তৃণমূলের বক্তব্য তাঁদের অফিসের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় ইচ্ছাকৃতভাবে স্লোগান দিচ্ছিল বিজেপির কর্মীসমর্থকরা। তাঁদের দিকে ইঙ্গিত করে স্লোগান দেওয়ার পাশাপাশি তাদের দলীয় পতাকা ছিঁড়ে দিচ্ছিল। এই ঘটনা দেখার পরই তারা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে বলে দাবি তৃণমূলের কর্মীসমর্থকদের। প্রসঙ্গত, কিছু লোককে অটোর উপর উঠে ওই অঞ্চলে বড় করে লাগানো মমতার হোর্ডিং এই দিন খুলে ফেলার চেষ্টা করতে দেখা গিয়েছিল।
আরও পড়ুন – এক ‘স্থান’ হারিয়ে অন্যদিকের সেরার দৌড়ে গিল, চমক সিরাজের! ICC থেকে কী কী এল?
কী বললেন শুভেন্দু?
মিছিল শেষ করে বক্তব্য রাখতে মঞ্চে ওঠেন শুভেন্দু। সেখানে তিনি বলেন, এই অঞ্চলে এই ধরনের কিছু লোক রয়েছে। রাতদখলের সময় প্রতিবাদী সাধারণ নাগরিকরাও আক্রান্ত হয়েছিলেন এই অঞ্চলে। অন্যদিকে তৃণমূলের বারাসত শহর কমিটির সভাপতি অরুণ ভৌমিকের কথায়, তৃণমূল এই ধরনের কাজে কখনই প্রশ্রয় দেয় না। তাঁর মতে, গোটা ঘটনাটি সাজানো।