Health Tips: বাড়িতে রাখুন এই ৭ গাছ! রোগভোগ ছুঁতে পারবে না আপনাকে – Bengali News | Keep these 7 plants at home to increase the immunity power
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউন সিস্টেম (Immunity) আমাদের শরীরের প্রাকৃতিক রক্ষা কবচ। শরীরকে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও অন্যান্য জীবাণুর আক্রমণ থেকে রক্ষা করে। দূষণযুক্ত পরিবেশ ও অনিয়মিত জীবনযাত্রার ফলে সেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ে। তার উপর এখন আবার বর্ষাকাল। রোগের প্রকোপ বেশি, তাই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্ত হওয়াটাও প্রয়োজন। কিন্তু কী ভাবে তা হবে। জানেন কি, এমন কিছু গাছ আছে যা বাড়িতে রাখলে তাদের সুপ্রভাবে বৃদ্ধি পায় শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। কী কী সেই গাছ?
১. তুলসী – তুলসী গাছকে আয়ুর্বেদে জীবনদায়ী গাছ বলা হয়। এই গাছে থাকা অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান। যা শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে। প্রতিদিন সকালে তুলসী পাতা চিবোলে সর্দি-কাশি, জ্বর, গলা ব্যথা এবং ভাইরাল সংক্রমণের আশঙ্কা কমে। তুলসী বায়ুর গুণমানও উন্নত করে।
২. অ্যালোভেরা – অ্যালোভেরা পাতায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন C ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান শরীরের ভেতর থেকে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। অ্যালোভেরা জেল খেলে হজমশক্তি ভাল হয় এবং টক্সিন পরিষ্কার হয়, যা ইমিউন সিস্টেমের শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।
৩. গিলয় – গিলয় এক ধরনের আয়ুর্বেদিক গাছ যা শরীর থেকে টক্সিন দূর করে। হজম এবং রক্তশুদ্ধি করে। এটি জ্বর, ডেঙ্গি, ভাইরাল সংক্রমণ ও অ্যালার্জি প্রতিরোধে সাহায্য করে। গিলয়ের ডাঁটা দিয়ে তৈরি রস বা চা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দারুণ কার্যকর।
৪. মেথি গাছ – মেথির গাছ অল্প জায়গাতেও জন্মে এবং এর পাতা ও বীজ উভয়ই রোগ প্রতিরোধে সহায়ক। মেথিতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইবার শরীরের টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে এবং ঠান্ডা, ফ্লু প্রতিরোধ করে।
৫. নিম গাছ – নিম গাছে আছে জীবাণুনাশক, ভাইরাসবিরোধী ও অ্যান্টিফাঙ্গাল গুণ। নিম পাতা রক্ত পরিশোধন করে ও সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে। বাড়ির উঠোনে বা ব্যালকনিতে একটি নিমগাছ থাকলে বায়ুর বিশুদ্ধতা বাড়ে।
৬. মিন্ট বা পুদিনা – পুদিনা গাছ সহজেই বাড়িতে টবে চাষ করা যায়। পুদিনায় থাকা মেনথল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ঠান্ডা লাগা, হাঁচি-কাশি এবং অ্যালার্জি কমাতে সাহায্য করে। মিন্ট লিভস দিয়ে তৈরি চা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা জাগিয়ে তোলে।
৭. কর্পূর গাছ – কর্পূর গাছের পাতায় থাকা উপাদান ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে। ঘরে কর্পূরের গন্ধ বাতাসে ছড়িয়ে দিলে পরিবেশ জীবাণুমুক্ত হয়, যা শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা ও ইনফেকশন রোধে সাহায্য করে।