আরও ২টি বিশ্ববিদ্যালয়েউপাচার্য নিয়োগ, বাকি ১৬টির ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেবে কমিটি - 24 Ghanta Bangla News
Home

আরও ২টি বিশ্ববিদ্যালয়েউপাচার্য নিয়োগ, বাকি ১৬টির ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেবে কমিটি

Spread the love

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে পশ্চিমবঙ্গের আরও দুই বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ পেলেন নতুন উপাচার্য। কোচবিহারের পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব নিচ্ছেন সঞ্চারী মুখোপাধ্যায়। অন্যদিকে, রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষপদে আসছেন সোনালি চক্রবর্তী বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (বারাসত) উপাচার্য হিসেবে কর্মরত।

আরও পড়ুন: গৌড়বঙ্গের সমাবর্তন ঘিরে জট, সমস্যার সমাধানে উচ্চশিক্ষা দফতরের দ্বারস্থ উপাচার্য

এই দুটি নিয়োগের মাধ্যমে রাজ্যের ৩৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ২১টির উপাচার্য পদে নিয়োগ সম্পন্ন হল। তবে সোনালির পদান্তরের ফলে আপাতত ১৬টি বিশ্ববিদ্যালয় এখনও উপাচার্যশূন্য।উল্লেখযোগ্যভাবে, রাজ্য সরকার ও রাজ্যপালের সংঘাতপূর্ণ সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে এই নিয়োগ সুপ্রিম কোর্টের সরাসরি নির্দেশে হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, এই প্রক্রিয়ার তদারকি করছেন দেশের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি উদয় উমেশ ললিত। তাঁর নেতৃত্বাধীন উচ্চ পর্যায়ের কমিটিই স্থির করবে বাকি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্য কারা হবেন।

আদালতে এ দিন রাজ্যপালের তরফে অ্যাটর্নি জেনারেল আর বেঙ্কটরামানি স্পষ্ট করে বলেন, উপাচার্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রীর মতামত শেষ কথা হতে পারে না। আচার্যের অভিমত ও প্রার্থীদের যোগ্যতাও সমান গুরুত্ব পাবে। যদিও বিচারপতিরা জানিয়ে দেন, প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি ললিত যেহেতু প্রত্যেক প্রার্থীর সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেছেন এবং তাঁদের যোগ্যতা সম্পর্কে ওতপ্রোতভাবে অবগত, তাই তিনিই চূড়ান্ত সুপারিশ করবেন কে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত। বিষয়টি নিয়ে রাজ্যের আইনজীবী জয়দীপ গুপ্তও জানিয়ে দেন, রাজ্যপালের সঙ্গে মতপার্থক্য থাকলে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার পথ খোলা আছে এবং বর্তমানে নিয়োগ প্রক্রিয়া কমিটির অধীনে যথাযথভাবেই সম্পন্ন হচ্ছে।

এই পটভূমিতে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট নির্দেশ দেয়, বাকি ১৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া ‘অর্ডার অফ প্রেফারেন্স’ খতিয়ে দেখবেন প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি ললিত। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তাঁর নেতৃত্বাধীন কমিটিই নেবে। সর্বোচ্চ আদালতের আশা, এই প্রক্রিয়া খুব দ্রুত শেষ করে রাজ্যের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে স্থিতিশীল নেতৃত্বের আওতায় আনা হবে। সামগ্রিকভাবে, এই দুই উপাচার্য নিয়োগ কেবলমাত্র প্রশাসনিক পদ পূরণ নয়, বরং এটি রাজ্যের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় দীর্ঘদিনের জট কাটানোর প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *