পুলিশের অনুমতি মেলেনি, সোমবার নবান্ন অভিযান কি আদৌ হবে? কী বলছেন DA আন্দোলনকারীরা, বাংলার মুখ
কেন্দ্রীয় হারে ডিএ বৃদ্ধি-সহ বেশ কয়েকটি দাবি নিয়ে আগামী ২৮ জুলাই নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছিল সংগ্রামী যৌথ মঞ্চসহ বেশ কিছু সংগঠন। সংগ্রামী যৌথ, যৌথ মঞ্চ, পশ্চিমবঙ্গ চাকরিপ্রার্থী চাকরিজীবী চাকরিহারা ঐক্যমঞ্চ ও অন্যান্য কিছু সংগঠন অভিযানের জন্য অনুমতি চেয়ে হাওড়া সিটি পুলিশকে চিঠি দিয়েছিল। কিন্তু সোমবারের অভিযানের জন্য শেষমেশ অনুমতি পাওয়া গেল না। তবে এতে দমতে রাজি নন আন্দোলনকারীরা। এখনও তারা তাদের অভিযান সংক্রান্ত কর্মসূচি নিয়ে অনড় রয়েছেন।
কী জানিয়েছে হাওড়া পুলিশ?
হাওড়া সিটি পুলিশ কমিশনার প্রবীণ ত্রিপাঠী সাংবাদিক বৈঠক করেছেন শনিবার। সেখানে তিনি বলেন, পুলিশ সোমবার নবান্ন অভিযানের অনুমতি দেয়নি। তা সত্ত্বেও যদি কেউ নিয়ম ভঙ্গ করেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে আইন মেনে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। হাওড়া সিটি পুলিশের তরফে ইতিমধ্যেই ফোরশোর রোড এবং জিটি রোডে ১২ ফুট লোহার ব্যারিকেড তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। রাস্তায় গার্ডরেল লাগানো হচ্ছে ড্রিল মেশিন দিয়ে গর্ত করে।
নবান্ন অভিযান নিয়ে হাইকোর্টের রায়
সোমবার নবান্ন অভিযানের জেরে মঙ্গলাহাট বিপর্যস্ত হতে পারে এই আশঙ্কা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন ব্যবসায়ীদের একাংশ। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ শুক্রবার জানিয়েছেন, এই অভিযানের ক্ষেত্রে পুলিশি অনুমতিই শেষ কথা। পুলিশ যদি অনুমতি না দেয়, তাহলে কোনওভাবেই মিছিল করে হাটের ব্যবসায় বিঘ্ন ঘটানো যাবে না। বিচারপতি এও বলেন, তারপরেও মিছিল বা সভা করার জন্য ব্যবসায়ীদের সমস্যায় পড়তে হলে পুলিশ উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে পারবে।
আরও পড়ুন – Empire Kebab Flagged Unsafe: ‘খাওয়ার যোগ্য নয়!’ জনপ্রিয় ‘এম্পায়ার কাবাব’-কে নোটিশ FSSAI-এর, কী ঘটেছে?
আন্দোলনকারীরা কী বলছেন?
হাইকোর্টের রায়, মঙ্গলাহাটের ব্যবসায়ীদের আপত্তি ও পুলিশের অনুমতি না দেওয়ার পরেও সোমবারের কর্মসূচি নিয়ে অনড় আন্দোলনকারীরা। শনিবার যৌথ সংগ্রামী মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘সরকারের কাছে আমাদের দাবি পেশ করার জন্য এই পুলিশ কবে অনুমোদন দিয়েছে? সুতরাং পুলিশ অনুমতি দিল কি না, তা আমাদের কাছে খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। আমাদের আইনজীবী হাইকোর্টের রায়ের যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন, সেই অনুযায়ী আদালত কিন্তু আমাদের অনুমতি দিয়েছে।’ মঙ্গলাহাটের ব্যাঘাত নিয়ে আদালতের রায়ের ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘আমাদের অভিযানের যে পথে এগোবে সেই পথের সঙ্গে মঙ্গলাহাটের কোনও সম্পর্কই নেই। মঙ্গলাহাটের উল্টোদিকে যাবে আমাদের মিছিল। ফলে সেখানের ব্যবসায়ীদের অসুবিধার প্রশ্নই নেই। ব্যবসায়ীরা আমাদের শত্রু নন।’