Women Trafficking: শিলিগুড়িকে করিডর করে অন্তত ৬০০ মেয়ে পাচার? নতুন করে গ্রেফতার ২ - Bengali News | How deep are the roots of the women trafficking ring in Siliguri, 2 new arrests - 24 Ghanta Bangla News
Home

Women Trafficking: শিলিগুড়িকে করিডর করে অন্তত ৬০০ মেয়ে পাচার? নতুন করে গ্রেফতার ২ – Bengali News | How deep are the roots of the women trafficking ring in Siliguri, 2 new arrests

Spread the love

শিলিগুড়ি: ৫৬ জন তরুণীর উদ্ধারের পর থেকেই তোলপাড় চলছিল পুরোদমে। নতুুন করে গ্রেফতার আরও ২। জীতেন্দ্র পাসওয়ান ও চন্দ্রিকা ছাড়াও এবার গ্রেফতার জিতেন্দ্রর স্ত্রী এবং দুর্গ এডুকেশন অ্যান্ড চ্যারিটেবল সোসাইটি নামের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রজেক্ট ডিরেক্টর। তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি এবার উদ্ধার হওয়া মেয়েদের জবানবন্দিও নিতে শুরু করেছে পুলিশ। জিতেন্দ্রর স্ত্রী গতকালই টিভি৯ বাংলাকে জানান, এর আগে শিলিগুড়ির ওই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকেই আরও বারোটি ব্যাচে মেয়েদের প্রশিক্ষণের পর পাঠানো হয়েছিল। তাঁরা কোথায় আছে সেই খোঁজ শুরু হয়েছে। পুলিশের ধারণা এর আগে প্রতি ব্যাচে ৫০ জন করে সব মিলিয়ে প্রায় ৬০০ মেয়েকে বাইরে পাঠিয়েছিল এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। 

উত্তরের চা বলয়ে মেয়ে পাচার রোধে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলির মধ্যে অন্যতম কাঞ্চনজঙ্ঘা উদ্ধার কেন্দ্র। গত কয়েক দশকে দশ হাজারের বেশি ছেলে-মেয়েকে উদ্ধার করেছ দেশের বিভিন্ন নিষিদ্ধপল্লী থেকে। এই সংস্থার তরফে রঙ্গু সৌরিয়া বলেন, ১৮ পার হওয়া মেয়েরা নিঁখোজ হলে পুলিশের কাছে গেলেই বলবে প্রাপ্তবয়স্ক মেয়ে নিখোজ। তাঁদের কিছু করার নেই। অভিযোগ নিতেই গড়িমসি করে পুলিশ। এই সুযোগেই বহুকাল ধরে উত্তরবঙ্গ ও নেপালের মেয়েদের পাঁচারে এই করিডর ব্যবহার হচ্ছে। গরিব পরিবারগুলিই টার্গেট। নিষিদ্ধপল্লী ছাড়াও বিভিন্ন স্পা-সহ নানা জায়গায় নিয়ে গিয়ে দেহ ব্যবসার কাজে লাগানো হয় মেয়েদের। 

উত্তর-পূর্বের একটি মেয়েকে নাবালিকা অবস্থায় এভাবেই শিলিগুড়ির নিষিদ্ধ পল্লীতে বিক্রি করেছিল পাচারকারীরা। ২০১৯ সালে তাঁকে উদ্ধার করেন রঙ্গু সৌড়িয়া। আপাতত ট্রায়াল চলছে ওই মামলায়। ওই কিশোরী এখন প্রাপ্তবয়স্ক। তিনি বলছেন, “আমায় কাজ দেবে বলে এনেছিল শিলিগুড়ির নিষিদ্ধপল্লীতে। সেখান থেকেও বিক্রি করে দেওয়া হয় ২০১৬ সালে। এরপর ২০১৯ সালে একে উদ্ধার করে কাঞ্চনজঙ্ঘা উদ্ধার কেন্দ্র।”   

দেশের বিভিন্ন নিষিদ্ধপল্লীতে গিয়ে অভিযান করেছেন রঙ্গু নিজেও। রঙ্গু বলেন, “উদ্ধার অভিযান সমাধান নয়। পাচারের আগেই তা আটকাতে হবে। পুলিশ প্রশাসন পিছিয়ে পড়া এলাকায় নজর দিক। শুধু কাজের প্রলোভন নয়, ড্রাগসের নেশায় আসক্ত করিয়েও এরপর মেয়েদের টাকার প্রলোভন দিয়ে পাচার করা হচ্ছে। গড়ে দিনে দশটি মেয়ে পাচার হচ্ছে উত্তরবঙ্গ থেকেই।”  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *