ISF-TMC: পার্টি অফিসে নিয়ে গিয়ে ISF-র নেতা-কর্মীদের বেধড়ক মারধরের অভিযোগ, দায় নিতে নারাজ তৃণমূল – Bengali News | Trinamool refuses to take responsibility for allegations of beating of ISF leaders and workers after taking them to party office
চাপানউতোর এলাকার রাজনৈতিক মহলে Image Credit source: TV 9 Bangla
বাঁকুড়া: দলীয় কর্মসূচি সেরে বাড়ি ফেরার পথে কয়েকজন আইএসএফ নেতার উপর হামলার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বেধড়ক মারধর করা হয়েছে আইএসএফের জেলা কমিটির সদস্য জুলকার খান, নুর মহম্মদ মণ্ডলকে। সঙ্গে ছিলেন আরও দু’জন। মঙ্গলবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার তালডাংরা থানার রাজপুর এলাকায়। পরে তৃণমূলের এলাকার দলীয় কার্যালয়ে নিয়ে গিয়ে আরেক দফা মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। তবে তৃণমূল তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
আক্রান্তদের তরফে জানানো হয়েছে আইএসএফের ছাত্র সংগঠনের এক কর্মসূচি উপলক্ষে মঙ্গলবার বিকালে বিষ্ণুপুর থানার বাঁকাদহ এলাকায় যান তালডাংরা থানার আমডাংরা এলাকার আইএসএফের বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মী। সন্ধ্যার পর তাঁরা বাড়ি ফেরার পথে স্থানীয় রাজপুরের কয়েকজন দলীয় কর্মীর সঙ্গে কথা বলেন। অভিযোগ, সেখান থেকে বাড়ির পথ ধরতেই দুস্কৃতীরা তাঁদের উপর অতর্কিতে হামলা চালায়। বেধড়ক মারধর করা হয়। পরে স্থানীয় আমডাংরা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান আসানুর খানের নেতৃত্বে তৃনমূল আশ্রিত দুস্কৃতিরা আইএসএফ নেতাদের তৃণমূলের স্থানীয় দলীয় কার্যালয়ে নিয়ে গিয়ে আরেক দফা মারধর করে বলে অভিযোগ।
খবর যায় পুলিশের কাছে। আমডাংরা ফাঁড়ির পুলিশ গিয়ে তৃণমূলের ওই দলীয় কার্যালয় থেকে আক্রান্ত আইএসএফ নেতা-কর্মীদের উদ্ধার করে। তালডাংরা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আক্রান্তদের প্রাথমিক চিকিৎসাও হয়। তালডাংরা থানায় অভিযোগও দায়ের হয়। পুলিশ অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না করলে আগামীদিনে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আক্রান্ত আইএসএফ নেতারা। যদিও তৃণমূল আইএসএফ কর্মীদের উপর হামলা ও মারধরের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে।
তৃণমূল নেতা নিতাই চক্রবর্তী বলছেন, এলাকায় আইএসএফ বলে কিছু নেই। সম্প্রতি রাজপুর এলাকায় একাধিক সাবমার্সিবল পাম্পের যন্ত্রাংশ চুরি যায়। তৃণমূলের দাবি গতকাল সন্ধ্যায় কয়েক জন যুবক স্থানীয় একটি চাতালে বসে থাকায় গ্রামবাসীদের সন্দেহ হয়। সেই সন্দেহেই তাদের আটক করে গ্রামবাসীরা। পরে স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান মারধরের হাত থেকে যুবকদের বাঁচাতে প্রথমে তৃণমূল কার্যালয়ে নিয়ে যায়। পরে তাঁদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।