ICICI Bank: ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ পেতে করতে হবে 'পকেট গরম'? ৬৪ কোটি টাকা ঘুষকাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত ICICI-এর প্রাক্তন সিইও - Bengali News | Former ICICI Bank CEO Chanda Kochhar Guilty of Accepting 64 Crore Bribe - 24 Ghanta Bangla News
Home

ICICI Bank: ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ পেতে করতে হবে ‘পকেট গরম’? ৬৪ কোটি টাকা ঘুষকাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত ICICI-এর প্রাক্তন সিইও – Bengali News | Former ICICI Bank CEO Chanda Kochhar Guilty of Accepting 64 Crore Bribe

Spread the love

দোষী চন্দা কোচরImage Credit source: Abhijit Bhatlekar/Mint via Getty Images)

নয়াদিল্লি: একটা-দু’টো নয়। একেবারে ৬৪ কোটি টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হলেন নামজাদা ব্যাঙ্কের প্রাক্তন সিইও। কিন্তু কেন সেই ঘুষ নিলেন তিনি? আদালত বলছে, ঋণ পাইয়ে দেওয়ার বিনিময় নিজের পকেটে এই টাকা ঢুকিয়েছেন অভিযুক্ত।

সম্প্রতি এক আপিল ট্রাইব্যুনালে ৬৪ কোটি টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হলেন আইসিআইসিআই ব্যাঙ্কের প্রাক্তন কার্যনির্বাহী কর্তা চন্দা কোচর। জানা গিয়েছে, ভিডিয়োকন গোষ্ঠীকে ৩০০ কোটি টাকার ঋণ পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়েই এই মোটা অঙ্কে নিজের পকেট ভরিয়েছেন তিনি।

সিবিআই সর্বপ্রথম আইসিআইসিআই-এর বিরুদ্ধে ভিডিয়োকন গোষ্ঠীকে ৩ হাজার ২৫০ কোটি টাকার ঋণ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ তুলে তদন্তে নেমেছিল। গোটা ব্যাপারটাতে RBI-কেও টেনেছিল তারা। এরপর ২০২০ সালের কোচরের বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপের অভিযোগ তুলে মামলা দায়ের করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। পরবর্তীতে একই মামলায় জুড়ে দেওয়া হয় কোচরের স্বামী দীপকের নামও।

তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, ২০০৯ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত আইসিআইসিআই ব্যাঙ্ক, মাত্র তিন বছরেই ভিডিয়োকন গোষ্ঠীর আওতাভুক্ত একাধিক সংস্থাকে ১ হাজার ৮৭৫ কোটি টাকা ঋণ প্র্রদান করে। এই সময়কালে ব্যাঙ্কের একদম মাথায় ছিলেন চন্দা। ২০০৯ সালে আবার ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ ভিডিয়োকন গোষ্ঠীর একটি সংস্থাকে ৩০০ কোটি টাকা ঋণ দেয়। যেদিন এই ঋণ প্রদান করা হয়, ঠিক তারপর দিন ভিডিয়োকন গোষ্ঠীর সুপ্রিম এনার্জি প্রাইভেট লিমিটেড নামক সংস্থার অ্যাকাউন্ট থেকে ৬৪ কোটি টাকা পাঠানো হয় নুপাওয়ার রিনিউবল প্রাইভেট লিমিটেড নামক একটি সংস্থার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। যার আবার দায়িত্বে ছিলেন এই চন্দা কোচরের স্বামী।

এরপর এই লেনদেনকে ২০১৬ সালে প্রকাশ্য়ে আনে এক সাংবাদিক। তারপর ২০১৮ সালে গোটা ব্যাপারটা নজরে আসে সিবিআইয়ের। শুরু হয় তদন্ত। ওই বছরের অক্টোবর মাসে ব্যক্তিগত কারণের কথা উল্লেখ করে পদত্যাগ করেন চন্দা। যার জেরে বাড়ে সন্দেহ। ২০২০ সালে সিবিআইয়ের সঙ্গে তদন্তে ঢুকে পড়ে ইডিও। ২০২২ সালে চন্দা ও তার স্বামী-সহ ভিডিয়োকন গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান ভেনুগোপাল ধূতকে গ্রেফতার করে সিবিআই। যদি এক বছরের মধ্যে অন্তর্বর্তী জামিন পেয়ে যায় তারা। কিন্তু সেটাও বেশিদিন নয়। এবার সেই মামলাতেই দোষী সাব্যস্ত চন্দা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *