Justice Yashwant Varma: আরও বিপাকে বিচারপতি ভার্মা, একসঙ্গে বড় পদক্ষেপ রাহুল-অনুরাগদের – Bengali News | Impeachment of Justice Yashwant Varma moves ahead as over 200 MPs submit motion
বিচারপতি যশবন্ত ভার্মার বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপImage Credit source: PTI
নয়াদিল্লি: স্বাধীন ভারতে এমন নজির নেই। সেটাই কি এবার দেখা যাবে নগদকাণ্ডে অভিযুক্ত বিচারপতি যশবন্ত ভার্মার ক্ষেত্রে? দেশের প্রথম বিচারপতি হিসেবে কি অপসারিত হবেন বিচারপতি ভার্মা? সোমবার শাসক ও বিরোধী পক্ষ মিলিয়ে ২০০ জনের বেশি সাংসদ বিচারপতি ভার্মার ইমপিচমেন্ট শুরু করার আবেদনে সায় দিয়েছেন।
সংসদের বাদল অধিবেশন সোমবার শুরু হয়েছে। অধিবেশনের প্রথম দিনই ১৫২ জন সাংসদ লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে বিচারপতি ভার্মাকে অপসারণ সংক্রান্ত স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন। রাজ্যসভার ৫০ জনের বেশি সাংসদও একই প্রস্তাব জমা দেন উপরাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনখড়ের (তখন উপরাষ্ট্রপতি পদে ইস্তফা দেননি তিনি) কাছে। আবেদনকারীদের মধ্যে শাসক ও বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির সাংসদরা রয়েছেন। বিজেপি, কংগ্রেস, টিডিপি, জেডিইউ, সিপিএম এবং অন্য দলের সাংসদরা আবেদনে সই করেছেন। স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে অনুরাগ ঠাকুর, রবিশঙ্কর প্রসাদ, রাহুল গান্ধীও রয়েছেন।
সূত্রে জানা গিয়েছে, সংসদের দুটি কক্ষ যৌথভাবে তিন সদস্যের একটি কমিটি গড়তে পারে। ওই কমিটি বিচারপতি ভার্মার বিরুদ্ধে অভিযোগ খতিয়ে দেখবে। মঙ্গলবার লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লা আনুষ্ঠানিকভাবে ওই প্যানেল তৈরির কথা ঘোষণা করতে পারেন বলে জানা গিয়েছে। ওই কমিটিতে সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারপতি, কোনও হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি এবং একজন বিশিষ্ট আইনজ্ঞ থাকতে পারেন। সূত্রের খবর, ওই বিচারপতিকে ইমপিচ করা নিয়ে সংসদের পরের অধিবেশনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে পারে কমিটি।
ভারতীয় সংবিধান অনুসারে, হাইকোর্ট বা সুপ্রিম কোর্টের কোনও বিচারপতি অপসারণের জন্য সংসদে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনা যেতে পারে। এই প্রস্তাব আনতে লোকসভার ১০০ সাংসদের স্বাক্ষর প্রয়োজন। আর রাজ্যসভার ৫০ সাংসদের সই দরকার। ইমপিচমেন্ট প্রস্তাবটি সংসদের উভয় কক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে পাশ করাতে হবে।
প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ১৫ মার্চ দিল্লি হাইকোর্টের তৎকালীন বিচারপতি যশবন্ত ভার্মার বাসভবনের গুদামে আগুন লেগে গিয়েছিল। সেইসময়ই আগুন নেভালে গিয়ে দমকলকর্মীরা রাশি রাশি টাকার বান্ডিল উদ্ধার করেন। তা নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত। শীর্ষ আদালত একটি কমিটি গঠন করে। ওই তদন্ত কমিটির রিপোর্ট খতিয়ে দেখে বিচারপতি ভার্মার ইমপিচমেন্টের বিষয়ে সুপারিশ করেন সুপ্রিম কোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি লেখেন তিনি। এদিকে, বিচারপতি ভার্মা প্রথম থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
