Chaos in assembly: বিধানসভায় মার্শালের কাঁধে উঠে পড়লেন বিধায়ক, ভোটের আগে ধুন্ধুমার কাণ্ড – Bengali News | Chaos in Bihar Assembly as Opposition Protests in Black Clothes
মার্শালের কাঁধে উঠে পড়লেন বিধায়কImage Credit source: TV9 Bangla
পটনা: পরনে কালো পোশাক। হইচই করছেন অনেকে। এমনকি, একজনকে দেখা গেল মার্শালদের কাঁধে উঠে পড়েছেন। দেখে কে বলবে বিধানসভার অধিবেশন চলছে। বাস্তবে এই ছবি দেখা গেল বিহারের বিধানসভার অধিবেশনে। মঙ্গলবার মাত্র ২১ মিনিটেই শেষ হয়ে গেল এদিনের অধিবেশন।
মঙ্গলবার বিহার বিধানসভায় বাদল অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে কালো পোশাক পরে এসেছিলেন বিরোধী বিধায়করা। নীতীশ কুমার সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ইস্যুতে তাঁরা সরব হন। অধিবেশন শুরুর সঙ্গে সঙ্গে বিধানসভার অধ্যক্ষের চেয়ারের সামনে চলে আসেন বিরোধী বিধায়করা। স্লোগান দিতে থাকেন। বিভিন্ন ইস্যুতে সরকারের কাছে জবাব চান তাঁরা।
অধ্যক্ষ নন্দকিশোর যাদব বেশ কয়েকবার বিরোধী বিধায়কদের শান্ত করার চেষ্টা করেন। অধিবেশনের কাজকর্ম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন যাতে হয়, তার জন্য অনুরোধ করেন। এদিন, বিধানসভায় শিক্ষা দফতর সংক্রান্ত ইস্যু নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল। তবে অধ্যক্ষের অনুরোধে কর্ণপাত করেননি বিরোধীরা বিধায়করা। তাঁরা স্লোগান দিতে থাকেন। তখন অধ্যক্ষ বলেন, “আপনার শুধু কোলাহলই করছেন। সাধারণ মানুষের প্রকৃত সমস্যার কথা তুলে ধরছেন না।”
প্রথমে অধ্যক্ষ দুপুর ২টা পর্যন্ত অধিবেশন স্থগিত করে দেন। পরে অধিবেশন শুরু হলে ফের হইচই শুরু হয়। চেয়ারও ছোড়া হয়। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে অধিবেশন কক্ষ। সেইসময় মার্শালদের সঙ্গে বিরোধী বিধায়কদের ধস্তাধস্তি বাধে। একজন মার্শালের উর্দিও ছিঁড়ে দেওয়া হয়।
বিহার বিধানসভার বিরোধী দলনেতা তেজস্বী যাদবও কালো কুর্তা পরে অধিবেশনে এসেছিলেন। তিনি বলেন, “বিহারে গণতন্ত্র শেষ করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে নির্বাচন কমিশনের পদক্ষেপ ভুল। যখন ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে, তখন এইসব বিলের কী দরকার? যদি ভোটাররা ভোটই না দিতে পারেন, তাহলে আমরা কীভাবে বলব যে গণতান্ত্রিক দেশে বাস করি?”
চলতি বছরেই বিহারে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। সেই নির্বাচনের আগে এটাই শেষ বাদল অধিবেশন। আগামী ২৫ জুলাই পর্যন্ত অধিবেশন চলবে। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিল নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা। তবে বিরোধীরা যেভাবে বিভিন্ন ইস্যুতে নীতীশ কুমার সরকারের বিরুদ্ধে সরব হচ্ছে, তাতে অধিবেশন কতটা সুষ্ঠুভাবে হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
