আদিবাসী সমাজকে বদলে দিচ্ছে ‘আদি কর্মযোগী’ মিশন – Bengali News | Second Regional Process Lab under the Aadi Karmayogi Abhiyan in Bhopal
ভোপাল: ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’-র লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যে পৌঁছতে আদিবাসী বিষয়ক মন্ত্রকও নানা পদক্ষেপ করছে। কেন্দ্রের এই মন্ত্রক এবার ‘আদি কর্মযোগী’ অভিযানের অধীনে ভোপালে দ্বিতীয় রিজিওনাল প্রসেস ল্যাব(আরপিএল) কর্মসূচি চালু করল। এটি ৭ দিনের কর্মসূচি। এই কর্মসূচির লক্ষ্য তৃণমূলস্তরের ২০ লক্ষ কর্মীর একটি ক্যাডার তৈরি করা। ওই কর্মীদের কাজ হবে আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকার মানুষকে সাহায্য করা। ২০৪৭ সালের মধ্যে যাতে বিকশিত ভারতের লক্ষ্য পূরণ করা যায়, সেজন্য আদিবাসী সমাজের কাছে উন্নয়নমূলক পদক্ষেপের সুবিধা পৌঁছে দেবেন তৃণমূলস্তরের ওই কর্মীরা।
ভোপালের একটি হোটেলে আরপিএল কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। এর উদ্দেশ্যে উত্তর প্রদেশ, ছত্তীসগঢ় এবং মধ্য প্রদেশের স্টেট মাস্টার ট্রেনারদের (SMT) প্রশিক্ষণ দেওয়া।

আদিবাসী বিষয়ক মন্ত্রক বলছে, আদি কর্মযোগী শুধুমাত্র একটি কর্মসূচি নয়। বরং এটি দেশের আদিবাসী সমাজের আত্মার সঙ্গে সংযুক্ত একটি নতুন চিন্তাভাবনা। এর মাধ্যমে, নীচ থেকে উপরে পর্যন্ত শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন করা হচ্ছে। এই মিশনটি ‘PM-JANMAN’ এবং ‘DAJGUA’-এর মতো সরকারি প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত। এটি শাসনব্যবস্থায় পরিবর্তনের নতুন পথও খুলে দিচ্ছে। এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য হল সরকারি ব্যবস্থার সঙ্গে আদিবাসী যুবকদের প্রত্যাশা সংযুক্ত করা। এর পাশাপাশি, সরকারি প্রকল্পগুলি সময়মতো জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া।

আদিবাসী বিষয়ক মন্ত্রকের সচিব বিভু নায়ার এই কর্মসূচিকে ঐতিহাসিক বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, উপজাতি শাসনব্যবস্থাকে নতুন রূপ দেওয়ার দিকে এটি একটি বড় পদক্ষেপ। তিনি স্টেট মাস্টার ট্রেনারদের ‘পরিবর্তনের প্রতিনিধি’ হিসেবে অভিহিত করেন। এবং বলেন যে তাঁরা সরকারি প্রকল্পগুলিকে গ্রামে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করতে পারেন।
আদি কর্মযোগী মিশন কী?
এই মিশনে আদিবাসী বিষয়ক, গ্রামীণ উন্নয়ন, মহিলা ও শিশু উন্নয়ন, জল, বন, শিক্ষার মতো মন্ত্রক একসঙ্গে কাজ করবে। রিজিওনাল প্রসেস ল্যাব (RPL) এই মিশনের মেরুদণ্ড। এতে, রাজ্য স্তরের প্রশিক্ষকরা (SMT) জেলা স্তরের মাস্টার প্রশিক্ষকদের (DMT) প্রশিক্ষণ দেবেন। আদি কর্মযোগী অভিযানের অধীনে জুলাই থেকে অগস্টের মধ্যে দেশে সাতটি রিজিওনাল প্রসেস ল্যাব কর্মসূচি হবে।
