তৃণমূলের শহিদ দিবসে কেমন থাকবে কলকাতার পথঘাট? কী কী নিয়ম? দেখে নিন ১৭টি পয়েন্ট, বাংলার মুখ
তৃণমূলের শহিদ দিবস উপলক্ষে ২১ জুলাই বড় সমাবেশ কলকাতার প্রাণকেন্দ্র ধর্মতলায়। তবে এবার হাইকোর্টের তরফে রয়েছে বিশেষ পর্যবেক্ষণ। বলা হয়েছে যান নিয়ন্ত্রণের কথা। সকাল নটা থেকে এগারোটা পর্যন্ত অফিসপাড়ায় যাতে কোনও যানজট না হয়, তা পুলিশকে নিশ্চিত করতে হবে। এই অবস্থায় ২১ জুলাইয়ের জন্য গোটা শহরে কী কী ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ? দেখে নেওয়া যাক এক ঝলকে।
২১ জুলাই যান নিয়ন্ত্রণে কী কী ব্যবস্থা?
১. পণ্যবাহী গাড়ি শহরে নিষিদ্ধ ভোর – ৩টে থেকে রাত ৮টা
২. বেশ কিছু রাস্তায় যাত্রিবাহী যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ – ৪টে থেকে রাত ৯টা
- আমহার্স্ট স্ট্রিট (উত্তর থেকে দক্ষিণের দিকে)
- কলেজ স্ট্রিট (দক্ষিণ থেকে উত্তরের দিকে)
- ব্রেবোর্ন রোড (উত্তর থেকে দক্ষিণের দিকে)
- বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিট (পূর্ব থেকে পশ্চিমের দিকে)
- বেন্টিঙ্ক স্ট্রিট (দক্ষিণ থেকে উত্তরের দিকে)
- নিউ সিআইটি রোড (পশ্চিম থেকে পূর্বের দিকে)
- বিধান সরণি (কেসি সেন স্ট্রিট থেকে বিবেকানন্দ রোড পর্যন্ত)
- স্ট্র্যান্ড রোড (হেয়ার স্ট্রিট থেকে রাজা উডমুন্ট স্ট্রিট পর্যন্ত)
- রবীন্দ্র সরণি (বিকে পাল অ্যাভিনিউ থেকে লালবাজার স্ট্রিট পর্যন্ত)
৩. নিত্যযাত্রীদের জন্য হেল্পলাইন – ১০৭৩, ৯৮৩০৮১১১১১ এবং ৯৮৩০০১০০০০ (ফোন করা যাবে যেকোনও সমস্যায়)
৪. পার্কিং নিষিদ্ধ – হেস্টিংস ক্রসিং, ক্যাসুরিনা অ্যাভিনিউ, ক্যাথিড্রাল রোড, লাভার্স লেন, হসপিটাল রোড
৫. শহরের ২২ টি স্থানে জমায়েতের সম্ভাবনা। প্রতিটি স্থানে থাকবেন একজন অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার পদমর্যাদার অফিসার। মিছিলের শুরু ও শেষে থাকবে পুলিশ বাহিনী।
আরও পড়ুন – ‘তারা যখন নবান্ন অভিযান করেন অনুমতি ছাড়া..’, ২১ জুলাইয়ের আগে সুর চড়ালেন দিদি
৬. প্রতি মেট্রো স্টেশনে একজন এস আই পদমর্যাদার পুলিশ অফিসার।
৭. ধর্মতলায় সাতটি বড় মিছিল আসবে শহরের নানা দিক থেকে। মিছিল শুরু হবে শ্যামবাজার পাঁচ মাথার মোড়, হেঁদুয়া পার্ক, হাজরা পার্ক, পার্ক সার্কাস সেভেন পয়েন্ট, হাওড়া স্টেশন, শিয়ালদহ স্টেশন ও কলকাতা স্টেশন থেকে।
৮. সকাল ৮ টার মধ্যে প্রথম দফার মিছিল কলকাতা পুলিশ এলাকায় ঢুকবে। পরবর্তী এক ঘণ্টার মধ্যে মিছিল পৌঁছাবে গন্তব্যে।
৯. সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত অফিস পাড়ায় যাতে কোনও যানজট না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।
১০. অফিসপাড়ার আশেপাশের রাস্তাগুলিতে পাঁচ কিলোমিটার পর্যন্ত কোনও যানজট যাতে না হয়, তা নিশ্চিত করবেন পুলিশ কমিশনার।
১১. ১১টার পরে আবার মিছিল করে সভার জন্য ধর্মতলা আসা যাবে।
আরও পড়ুন – বিরাটিতে কেন এসেছিলেন নিশু? শুক্রবার রাতের ফিরিস্তি দিলেন চন্দন খুনে অভিযুক্ত
২১ জুলাইয়ে নিরাপত্তার ব্যবস্থা
১. সভামঞ্চের নিরাপত্তার জন্য ধর্মতলার ২০টি উঁচু বিল্ডিং থেকে নজরদারি চালাবে পুলিশ।
২. মঞ্চের আশেপাশে থাকছে ৪০টিরও বেশি সিসিটিভি ক্যামেরা।
৩. থাকছে ১৮টি অ্যাম্বুল্যান্স ও ৬টি কুইক রেসপন্স টিম। পাশাপাশি অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা।
৪. দমকলের ইঞ্জিন ছাড়াও থাকছে মোবাইল কন্ট্রোল রুম ভ্যান ও দমকলের মোটরসাইকেল।
৫. সভার কাছাকাছি চারটি ঘাটে থাকছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর পর্যাপ্ত কর্মী। চলবে ড্রোন দিয়ে নজরদারি।
৬. শহরজুড়ে প্রায় ৫০টি পুলিশি সহায়তা কেন্দ্র।