উত্তর দিনাজপুরে উদ্ধার বিবস্ত্র পরিচয়হীন যুবকের দেহ! নৃশংস খুন নিয়ে কী বলল পুলিশ?, বাংলার মুখ - 24 Ghanta Bangla News
Home

উত্তর দিনাজপুরে উদ্ধার বিবস্ত্র পরিচয়হীন যুবকের দেহ! নৃশংস খুন নিয়ে কী বলল পুলিশ?, বাংলার মুখ

Spread the love

মুখ পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। শরীর বিবস্ত্র, হাত পা ভাঙা। বৃহস্পতিবার অজ্ঞাতপরিচয় এমনই এক যুবকের দেহ পাওয়া গেল উত্তর দিনাজপুরের কানকি ফাঁড়ি এলাকায়।‌ কানকি পুলিশ ফাঁড়ির অন্তর্গত নাজিরপুর গ্রামে একটি নয়ানজুলিতে এই দেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় গ্রামবাসীরা। এর পরেই এলাকায় চআঞ্চল্য ছড়ায়। ঘটনাস্থলে খবর পেয়ে ছুটে আসে পুলিশ।

আরও পড়ুন – ‘সংবেদনশীল হোন’, আমদাবাদ বিমান দুর্ঘটনায় US মিডিয়াকে সাফ জবাব AAIB-র

নৃশংসভাবে খুন

স্থানীয় বাসিন্দাদের কথায়, ওই এলাকায় আগে কখনও এমনটা ঘটেনি। এমনিতে এলাকা বেশ শান্তিপূর্ণ। ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই স্তম্ভিত সবাই। স্থানীয় এঅ প্রত্যক্ষদর্শীর কথায়, ‘নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে ওই যুবককে। গলার নলি কেটে, হাত ভেঙে, পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। পুড়ে যাওয়ার জেরে চেনা যাচ্ছে না চেহারা।’

কী বলছে পুলিশ?

পুলিশ খবর পেয়ে এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠায় ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে। ঘটনার তদন্তও শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ইসলামপুর পুলিশ জেলার সুপার জবি থমাস সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘মৃতদেহটি উদ্ধার করার পর তদন্ত শুরু হয়েছে। সবদিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

আরও পড়ুন – কারফিউ চলবে গোপালগঞ্জে! তদন্তের নির্দেশ ইউনুসদের, হাসিনার হুঙ্কারে কী বার্তা?

হুগলিতে উদ্ধার কঙ্কাল

প্রসঙ্গত, হুগলিতে এই দিনই প্লাস্টিকে মোড়া একটি কঙ্কাল উদ্ধার করে পৌরসভার সাফাই কর্মীরা। ডাস্টবিন থেকে ময়লা তুলতে গিয়ে একটি কালো প্লাস্টিকে বেলচার খোঁচা লাগে। তার পরেই প্লাস্টিক থেকে বেরিয়ে পড়ে মানুষের হাড়গোড় ও খুলি। হুগলির ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের দাসপাড়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। এলাকায় এসে পৌঁছায় চুঁচুড়া থানার পুলিশ।

কী বলছেন স্থানীয়রা?

ওই নির্দিষ্ট এলাকায় সিসিটিভি নেই‌। তাই কে কঙ্কালটি ফেলে রেখে দিয়ে গিয়েছে, তা জানা যায়নি এখনও। অন্যদিকে স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। জানা যায়, এলাকায় ইতিমধ্যে কেউ মারা যাননি। চিকিৎসাবিজ্ঞানের কাজে কঙ্কাল ব্যবহৃত হয়‌ কিন্তু এই কঙ্কাল সেই কাজেই ব্যবহৃত হয়েছিল কি না তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *