শুধু পাশেই নয়, পায়ের তলায়ও রাখুন বালিশ; অনেক মুশকিল আসান হবে এভাবেই... - Bengali News | Health Tips: Benefits of Sleeping with a Pillow Under Your Legs: Relieve Back Pain and Support Spine Naturally - 24 Ghanta Bangla News
Home

শুধু পাশেই নয়, পায়ের তলায়ও রাখুন বালিশ; অনেক মুশকিল আসান হবে এভাবেই… – Bengali News | Health Tips: Benefits of Sleeping with a Pillow Under Your Legs: Relieve Back Pain and Support Spine Naturally

Spread the love

সে আমার পাশ-বালিশ…! গানটা হয়তো শুনেছেন। বিছানায় অনেকেরই সঙ্গী পাশ বালিশ। আর মাথার নীচে বালিশ কিংবা অনেকে পায়ের ফাঁকে বালিশ নিয়ে ঘুমোতেই স্বস্তি পান। কিন্তু কখনও ভেবে দেখেছেন, মাথার নীচেই শুধু নয়, যদি পায়ের নীচেও বালিশ রেখে ঘুমোনো যায়! মনে হতেই পারে, মাথার জিনিস কেন পায়ে! এর কিন্তু অনেক লাভ আছে। সেগুলো জানলে হয়তো আপনার ইচ্ছে করবে বা অভ্যাসে পরিণত হতে পারে। তাতে উপকারও রয়েছে অনেক। এমনটা জানাচ্ছেন চিকিৎসকই।

অনেকেই রয়েছেন, যাঁরা মাথার নীচে নয় বরং পায়ের নীচে বালিশ রেখে ঘুমনোই বেশি পছন্দ করেন। ঘুমও ভালো হয়। কাঁধের সমস্যা, ঘাড় ব্যথা এসবও কম হয়। আবার কারও ক্ষেত্রে উল্টো। মাথার নীচে উঁচু বালিশ ছাড়া ঘুমই হয় না। এতে পরদিন হয়তো সমস্যায়ও পড়েন। জেনে নেওয়া যাক, চিকিৎসক কী বলছেন…।

পায়ের নীচে বালিশ রেখে ঘুমনোটা হয়তো সাধারণ বিষয় মনে হতে পারে, কিন্তু এর লাভ অনেক। যখন কেউ সোজা হয়ে ঘুমোচ্ছেন এবং হাঁটুর নীচে বালিশ রাখছেন, তাতে লোয়ার ব্যাক বা বলা যায় পিঠ থেকে কোমর অবধি একটা সাপোর্ট থাকছে। ফলে তা সোজা থাকতে সাহায্য করে। মেরুদন্ডও ভালো রাখতে সহযোগিত করে। পাশাপাশি পিঠের ব্যথার সম্ভাবনাও কমে।

ম্যাক্স হাসপাতালের অর্থোপেডিক বিভাগের প্রধান ডাঃ অখিলেশ যাদব বলছেন, হাঁটুর নীচে বালিশ রেখে ঘুমনোর অনেক লাভ রয়েছে।

মাংসপেশীর সমস্যা কমে-এভাবে শোয়ার ফলে, যাঁদের স্লিপডিস্ক, স্পন্ডেলাইটিস বা স্পাইনাল কর্ডে নানা সমস্যা থাকে, সেগুলো মিটে যেতে পারে। যে কারণে চিকিৎসকরাও হাঁটুর নীচে বালিশ রেখে শোয়ার পরামর্শই দেন।

একটা বিষয় অবশ্যই নজরে রাখতে হবে, ব্যবহার করতে হবে নরম বালিশ। এতে ঘুমও ভালো হবে, শরীরেও আরাম হবে। এই অভ্যেস করলে যে অনেক সুবিধাই রয়েছে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

বিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ: এই প্রতিবেদনের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র তথ্য জানানো। কোনও রকম সমস্যা কিংবা দ্বিধা থাকলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *